নিজস্ব প্রতিবেদক

  ২৪ জুন, ২০২১

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন আগা খান

ঢাকা-১৪ (গাবতলী-মিরপুর) সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আগা খান মিন্টু। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য চারজন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তিনজন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে রয়েছেন আগা খান। গতকাল বুধবার ঢাকা-১৪ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহজালাল জানিয়েছেন, বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান, বিএনএফ-এর প্রার্থী কে ওয়াই এম কামরুল ইসলাম এবং জাসদের প্রার্থী আবু হানিফ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় আগা খান এক প্রার্থী থাকায় তিনিই ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার আগা খানকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

------
অবিভক্ত ঢাকার প্রথম মেয়র মো. হানিফের সময়ে ১৯৯৪ সালে গাবতলী-মিরপুর এলাকার কমিশনার ছিলেন আগা খান মিন্টু। বৃহত্তর মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতিও ছিলেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা আগা খান বর্তমানে শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

আসলামুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনটির উপনির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন ৩৫ জন। তাদের মধ্যে মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও এখলাস মোল্লার দলীয় কোনো পদ না থাকায় তাদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেনি আওয়ামী লীগ। শেষমেশ মনোনয়ন কিনেছিলেন ৩৩ জন।

তাদের মধ্যে ছিলেন মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির মতো ‘হ্যাভিওয়েট’ নেতাও। এ ছাড়া মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রয়াত আসলামুল হকের স্ত্রী মাকছুদা হক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ঢাকা-১৪ আসন এলাকার থানা আওয়ামী লীগের নেতারা। সবাইকে পেছনে ফেলে দলের নৌকার টিকিট পান শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আগা খান। ঢাকা-১৪ আসনটি ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশাল আয়তনের এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬ হাজার ৫৩৪ জন।

আসলামুল হকের মৃত্যুতে সংসদের ১৮৭ নম্বর আসনটি শূন্য হয়। পরে শূন্য আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম আগামী ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করেছে ইসি।

১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় এ দিনে ভোটগ্রহণ নিয়ে ইসিতে আপত্তি জানিয়েছিল জাপা। পরে সেই তারিখ পরিবর্তন করে ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করে নির্বাচন কমিশন।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close