রাবি প্রতিনিধি
গুমের নাটকের অভিযোগ
শিবিরের বিরুদ্ধে রাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

ছাত্রশিবির কর্তৃক গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত গুমের শিকার ভিকটিমদের অবমাননা করা, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ এবং গুপ্ত নেতাকর্মীদের দ্বারা ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রদল। গতকাল রবিবার দুপুর ২টায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্যারিস রোডে শেষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের হল শাখার নেতাকর্মীরা এবং দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ‘বাহ শিবির চমৎকার ধর্ষকদের পাহারাদার’ ‘ধর্ষকদের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন’ ‘হই হই রই রই ধর্ষকরা গেলি কোই’ এমন স্লোগান দিতে থাকে।
এ সময়, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিচারের দাবি জানান। যারা ‘মিথ্যা ও অপতথ্য’ ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭১ সালের রাজাকার, আলবদর বাহিনী যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, লাল সবুজ পতাকে বিশ্বাস করতো না, বাংলাদেশের উন্নয়নকে মেনে নিতে পারে না। সেই ধর্ষক রাজাকার বাহিনী আজকে নতুন করে ইসলামের লেবাস পরে ঘরে ঘরে মা বোনদেরকে ধর্ষণ করার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত করে রেখেছে। তিনি আরো বলেন, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ মুখে ইসলামের কথা বল্লেও তাদের প্রকৃত চরিত্র হলো রাজাকারের চরিত্র, বাংলাদেশকে কিভাবে পিছিয়ে দেওয়া যায়, বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে কিভাবে লুন্ঠন করা যায়,কিভাবে শিক্ষার্থীদের রগ কাটা যায় এটাই তাদের মোনাফেকির প্রকৃত পরিচয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে একটি গোষ্ঠী বিএনপির নামে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমরা তাদেরকে মোকাবেলা করেছিলাম। এখন ২০২৬ সালে এসে এমন বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা চাই প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধর্ষক জিসানের প্রকৃত শাস্তি নিশ্চিত করতে।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হক মিঠু বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা সংগঠনটিকে নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের পর আমরা ভেবেছিলাম তারা অতীতের কলঙ্ক মুছে ফেলার চেষ্টা করবে। কিন্তু যারা অতীতে নির্যাতন ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধেই আজ ধর্ষণ, হত্যা, ভ্রূণহত্যা এবং একটি অনাগত শিশুর ভবিষ্যৎ নষ্ট করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠছে। আমার বোনকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। শুধু ধর্ষণই নয়, একজনকে হত্যা করা হয়েছে এবং একটি অনাগত শিশুর জীবনও নষ্ট করা হয়েছে।
"







































