আশরাফুল আলম সাজু, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের রাজারহাট
তীব্র গরমে স্বস্তি মিলছে কচি তালের শাঁসে

প্রকৃতিতে আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষাকাল, আর বর্ষাকাল মানেই ঝুম ঝুম বৃষ্টি তার মাঝে মধ্যে কাঠফাটা রোদ। এই গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এক পশলা বৃষ্টি হলেই আবহাওয়ার পরিবর্তন। এবার প্রকৃতি যেন অন্য রূপ ধারণ করেছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে। মাঝেমধ্যে বৃষ্টির দেখা মিললেও তা অপর্যাপ্ত। দিনের বেলা প্রচণ্ড রোদ আর রাতের বেলা গরমে অতিষ্ট এই অঞ্চলের জনজীবন। প্রচণ্ড রোদ আর ভ্যাপসা গরমে একটু স্বস্তি পেতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ খোলা জায়গা কিংবা গাছের ছায়ায় বসে সময় পার করছেন। বিপাকে পড়েছেন শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষ। এই তীব্র তাপদাহে একটুখানি শীতলতা আর স্বস্তির খোঁজে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের সব শ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কচি তালের শাঁস। বিশেষ করে এই প্রখর রোদে রাজারহাট উপজেলা সদর এবং সদর বাজারের অলিগলিতে তালের শাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। রাজারহাট বাজারের হাসপাতাল রোড় রেলগেট, স্টেশন রোড, কলেজ মোড় এলাকায় তালের শাঁস বিক্রি করছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। ক্লান্তি ও পিপাসা মেটাতে পথচারীরা কখনও ভিড় করছেন এসব দোকানে। কেউ তৃপ্তি সহকারে খাচ্ছেন তালের শাঁস কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। আকার ভেদে প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। তাল কিনতে আসা ফজলু মিয়া জানান, দোকানদার দাম অনেক বেশি চাচ্ছেন। একজন ক্রেতা রুহুল আমীন বলেন, ২৫ টাকায় একটি কচি তাল কিনলাম বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য। বাজার রেলগেটে প্রতিদিন তালের শাঁস বিক্রি করছেন সুজন। তিনি এসেছেন বগুড়া থেকে। তিনি জানান, তিনি একজন মৌসুমী ফল বিক্রেতা, বিভিন্ন এলাকায় তিনি ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রি করেন। এবার রাজশাহী থেকে তালগুলো এনে কয়েকজন মিলে রাজারহাটে বিক্রি করছেন। তবে আশানরূপ বিক্রি হচ্ছে না। সামনে বিক্রি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
"







































