নাহিদ হাসান রবিন, শেরপুর (বগুড়া)

  ১৪ জুন, ২০২৬

বগুড়ার শেরপুর

গরমে স্বস্তি দিচ্ছে কচি তালের শাঁস

আকাশ থেকে যেন আগুন ঝড়ছে। তীব্র গরমে ওষ্ঠাগত জনজীবন। আর এই তীব্র দাবদাহে একটুখানি শীতলতা ও স্বস্তির খোঁজে বগুড়ার শেরপুরের মানুষের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কচি তালের শাঁস। প্রখর রোদকে পুঁজি করে উপজেলার সর্বত্র এখন তালের শাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে।

?সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর শহরের ধুনট রোড, রনবীরবালা, হাসপাতাল রোড, দুবলাগাড়ি ও রেজিস্ট্রি অফিস মোড়সহ গ্রামীণ জনপদের রাস্তার পাশে বসেছে মৌসুমী বিক্রেতাদের পসরা। ক্লান্তি ও তৃষ্ণা মেটাতে পথচারীরা ভিড় করছেন এসব দোকানে। কেউ দাঁড়িয়ে তৃপ্তি ভরে খাচ্ছেন কচি শাঁস, আবার কেউ পরিবারের জন্য ব্যাগে ভরে পরম যত্নে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। আকারভেদে প্রতিটি তাল বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়, যা সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে।

?শহরের হাসপাতাল রোডের চৌরাস্তায় প্রতিদিন তালের শাঁস বিক্রি করেন মামুরশাহী গ্রামের বাবু সরকার। তার দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। আলাপকালে তিনি জানান, তীব্র গরমের কারণে এখন তালের শাঁসের চাহিদা তুঙ্গে। প্রতিদিন তিনি প্রায় ৬ শত থেকে ৮ শত পিস তালের শাঁস বিক্রি করছেন। সব খরচ বাদ দিয়ে দিনে তার ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা লাভ থাকছে।

?তবে এই ব্যবসার স্থায়িত্ব খুব বেশিদিন নয়। বাবু সরকার জানান, পুরো মৌসুমে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন এই ব্যবসা করা যায়। অল্প সময়ের এই ব্যবসায় খাটুনি থাকলেও লাভ ভালো হওয়ায় তার মুখে এখন তৃপ্তির হাসি।

?মূলত গরমের দিনে কচি তালের শাঁস একদিকে যেমন তৃষ্ণা মেটায়, অন্যদিকে পুষ্টিগুণে অনন্য হওয়ায় এর প্রতি ঝুঁকছেন সব বয়সী মানুষ। ক্ষণস্থায়ী এই মৌসুমী ব্যবসা শেরপুরের তৃষ্ণার্ত মানুষকে যেমন দিচ্ছে একটুখানি প্রশান্তি, তেমনি বাবু সরকারের মতো অনেক বিক্রেতার সংসারে এনে দিচ্ছে বাড়তি সচ্ছলতা।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়