ক্রীড়া প্রতিবেদক

  ০২ জুন, ২০২৬

উইমেন্স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

‘আমরা নেপালকে হারাতে পারি’

গত দুই ম্যাচে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ক্ষোভ, হতাশা জানালেও পিটার জেমস বাটলারের বিশ্বাস, নক আউট পর্বে সব মলিনতা ঝেড়ে আড়মোড় ভেঙে জেগে উঠবে দল। ভারত ম্যাচের ব?্যর্থতা ভুলে সেমিফাইনালে জ্বলে উঠবে নেপালের বিপক্ষে। উইমেন্স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অভীষ্ট লক্ষে পৌঁছাতে খেলবে সাহসী ফুটবল।

হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ভারতের গোয়ায় আসা মনিকা-মারিয়ারা এরই মধ্যে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখে ফেলেছেন। জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শুরুর পর ভারতের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতে সাফে দশ ম্যাচের অজেয় যাত্রা থেমেছে, ভারতের বিপক্ষে টানা দুই জয়ের পর হারের তেতো স্বাদও পেয়েছে দল।

স্বপ্ন অবশ্য শেষ হয়ে যায়নি এখনো। ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালে ওঠা বাংলাদেশ আগামী বুধবার নেপালের মুখোমুখি হবে। যাদের টানা দুই ফাইনালে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে শিরোপা জিতেছিল দল। সেরা চারের লড়াইয়ে নেপালকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী বাটলার। দলের মধ্যে তিনি দেখতে চান একই আত্মবিশ্বাসের স্ফুরণ।

‘দেখুন, একটা ভালো দিনে এই অঞ্চলের বেশিরভাগ দলকে হারানোর জন্য আমি আমাদের দলের ওপর বাজি ধরব। আমাদের অনেক তরুণ খেলোয়াড় আছে। এমন অনেক খেলোয়াড় আছে, যাদের খেলা উচিত, কারণ, তারা খেলার যোগ্য। আর মাঝে মাঝে যখন আপনি তরুণ খেলোয়াড়দের মাঠে নামাবেন, তখন আপনাকে সাহসী হতে হবে। আপনাকে নির্ভীক হতে হবে।’

‘আপনি যখন একটা দল পুনর্গঠন করছেন বা ভবিষ্যতের জন্য দল তৈরি করছেন, তখন সেটা একটা চক্রের মতো চলবে। যখন আপনি ভারতের মতো দলের মুখোমুখি হবেন, নিজের সামর্থ্য বুঝতে পারবেন। আমরা মনে হয়, আমরা নেপালের বিপক্ষে খেলতে পারি এবং তাদেরকে হারাতেও পারি।’

ভারতের বিপক্ষে হজম করা প্রথম গোলে কোহাতি কিসকুর ভুল দেখছেন বাটলার। প্রতিপক্ষের পাওয়া দ্বিতীয় পেনাল্টি নিয়ে আপত্তি আছে তার। দ্বিতীয় সেকেন্ডে আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী দারুণ সুযোগটি হেলায় না হারালে গল্প ভিন্নরকম হতে পারত, এমনটাও মনে হচ্ছে এই ইংলিশ কোচের। মাঠে সেরাটা নিংড়ে দিতে না পারা অনেকের সমালোচনার তীর্যক তীরে বিঁধেছেন তিনি। তবে, এগুলো নিয়ে পড়ে থাকতে চান না বাংলাদেশ কোচ।

‘আমার মনে হয়, আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে খেলোয়াড়রা এটিকে কীভাবে নিচ্ছে তার ওপর। আমরা এই ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলব, রিকভারি করব, একসঙ্গে বসব এবং বিষয়গুলো খতিয়ে দেখব। এরপর আমরা ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ফিরে যাব এবং আমি এমন একটা দল মাঠে নামাব, যারা খেলতে চায়। খেলতে চাওয়ার মধ্যে আমি বলছি না যে, নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড় খেলতে চায় না, তবে কখনো কখনো মানুষ সহজ পথ বেছে নিতে চায়, খেলতে চাওয়া আর এদের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য আছে।’

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়