বিনোদন প্রতিবেদক
মঞ্চ ও টিভি নাটকের প্রিয় মুখ সবুজ

শহীদুল্লাহ সবুজ, এই প্রজন্মের ভার্সেটাইল অভিনেতা। কদিন আগেই একটি নাটকের শুটিংয়ে দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম শহীদুল্লাহ সবুজকে নিয়ে কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘সবুজ তো ভালো পারফরমার’। সত্যিই তাই, শহীদুল্লাহ সবুজ একজন ভালো অভিনেতা, ভার্সেটাইল অভিনেতা হয়ে উঠছেন। আগামী বছরের চ্যালেঞ্জ আর নতুন নতুন সব অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে দীপ্ত টিভি। দর্শকদের সঙ্গে নিয়ে, তাদের জন্যই তৈরি হওয়া দীপ্ত টিভির প্রোগ্রামগুলো হতে যাচ্ছে আরো জনবান্ধব ও বিনোদনময়- এমনটাই প্রতিশ্রুতি দিল দীপ্ত কর্তৃপক্ষ।
ছোটবেলায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ নানা কিছু হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। একটা সময় যখন বুঝতে পারলেন নাটকে অভিনয় করলে সব ধরনের চরিত্রেই অভিনয় করা যাবে, তখন নাটকে অভিনয়ের নেশাই পেয়ে বসে তাকে। ২০০৬ সালে তিনি ‘বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে মঞ্চে তিনি অভিনয় করেন ‘কবর’ ও ‘রসাধার সুধাধারের রাজ্য’ নাটকে। এরপর তিনি ২০১০ সালে ‘নাট্যকেন্দ্র’র সঙ্গে যুক্ত হলেন। এই দলের হয়ে তিনি মঞ্চে অভিনয় করেন ‘ডালিম কুমার’, ‘দুই যে ছিল এক চাকর’, ‘বন্ধুক যুদ্ধ’, ‘গাধার হাট’ নাটকে। বর্তমানে মঞ্চে তার অভিনীত চলমান নাটক ‘পুণ্যাহ’। সবুজের যতদূর মনে পড়ে, মুরাদ পারভেজের পরিচালনায় তিনি প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেন। নাটকের নাম ‘মানবজমিন’। তার অভিনীত আলোচিত নাটকের মধ্যে রয়েছে মারুফ মিঠুর ‘সে রকম ঝালখোর’, আজাদ কালামের ‘দানব’, রায়হান খানের ‘বৃহস্পতি তুঙ্গে’, ইমরাউল রাফাতের ‘ঈদ মোবারক’, শামীম জামানের ‘চাটাম ঘর’, অরণ্য আনোয়ারের ‘ফুল ইএচডি’ ইত্যাদি।
আবু হায়াত মাহমুদের ‘কোটিপতি’ নাটকে তিনি ছিলেন প্রধান অভিনেতা। এই নাটকে অনবদ্য অভিনয়ের কারণে পরে পরিচালক আদিবাসী মিজান, রাজু খান, ইমরাউল রাফাতসহ বেশ কয়েকজন পরিচালক তাকে নিয়ে একক নাটক নির্মাণ করেন। এই মুহূর্তে তার অভিনীত প্রচার চলতি ধারাবাহিক হচ্ছে সাজিন আহমেদ বাবুর ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’, ইমরাউল রাফাতের ‘অদ্ভুত পরিবার’, শামস করিমের ‘বাওকুমটা বাতাস’। প্রচারের অপেক্ষায় আছে আবু হায়াত মাহমুদের ‘জেন জেড’ ও কচি খন্দকারের ‘তেল ছাড়া পরোটা’। সবুজ রচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সরি’ একজন নাট্যকার হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্মাননা (২০২১ সালের নেক্সজেন ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফ্যাস্টিভ্যাল, ভারত) এনে দিয়েছে।
সবুজ বলেন, ‘ছোটবেলায় অনেক কিছু হওয়ারই স্বপ্ন ছিল আমার। সেই স্বপ্ন এখন নাটকে অভিনয় করেই পূরণ হচ্ছে। নাটকে বহু ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা যায়। এটা এক ধরনের আত্মতৃপ্তি। অভিনয় করতেই ভীষণ ভালোবাসি। তাই আমৃত্যু অভিনয়ই করে যেতে চাই। অল্প সময়ে দর্শকের যে ভালোবাসা পেয়েছি, এই ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়েই কাজ করে যাচ্ছি। এই মাধ্যমে চলার পথে সবার সহযোগিতা চাই।’ কুমিল্লার দেবিদ্বারের গুণাইঘর গ্রামে ১৯৮৪ সালের ১০ নভেম্বর জন্ম নেওয়া সবুজের বাবার নাম বশির হোসেন মজুমদার, মা (প্রয়াত) সালেহা বেগম। তার স্ত্রীর নাম নওরীন বিনতে জামান, একমাত্র মেয়ে আয়িশা ইলহাম।
"









































