আসাদুজ্জামান বুলবুল

  ১০ অক্টোবর, ২০২১

দেশীয় ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কাজ করছে ভৈরবী

আধুনিকতার নামে দেশের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রায় ভুলেই গেছে। শিকড়বিহীন এক সংস্কৃতির মধ্যে বড় হচ্ছে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম। নিজেদের সংস্কৃতির মধ্যে যে আত্মগৌরব, সম্মান, ঐতিহ্য নিহিত আছে এই উপলব্ধি বোধ থেকে। আধুনিক যুগের ছেলে হয়েও দেখিও সংস্কৃতিকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ইলিয়াস নবী ফয়সাল প্রতিষ্ঠা করেছেন ভৈরবী নামে একটি নিজস্ব সংস্কৃতি ও ফোকলোরকে নিয়ে কাজ করে এমন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

ভৈরবীর মূলত লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব পরম্পরাগত সংস্কৃতি, কৃষ্টি, আচার-প্রথা, উৎসব, লোকজ ঐতিহ্য, লোক শিল্প, সাংস্কৃতিক আয়োজন (লোক নৃত্য, লোক নাট্য, লোক কাহিনি, লোক সংগীত ইত্যাদিসহ) নানা আদিবাসী জাতিসত্ত্বা এবং তাদের জীবন ধারা, পরম্পরাগত সংস্কৃতি এবং দেশীয় নানা লুপ্তপ্রায় কিংবা জনপ্রিয় বিষয়াদি নিয়ে গবেষণা করা। শুধু গবেষণার মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতি ও ফোকলোরকে আধুনিক বাংলাদেশের কাছে তুলে ধরতেই সীমাবদ্ধ নয় ভৈরবী। নিজস্ব সাংস্কৃতিক নানা উপাদানকে বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনের মাধ্যমে পরিবেশন করে সেগুলো বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে টিকিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর তারা। এজন্য ভৈরবীর মূল স্লোগান- ‘ভৈরবী : একটি দেশীয় সংস্কৃতি গবেষণা ও গীতরঙ্গ পরিবেশনা কেন্দ্র।’

২০২০ সালে করোনার ভয়াল থাবায় যখন টালমাটাল বাংলাদেশসহ পুরো পৃথিবী, তখন একই বছরের ১২ জুন ভৈরবী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহযোগিতায় আত্মপ্রকাশ করে। এবং দেশের ৮২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী সঙ্গে নিয়ে নানা কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে সফলতার সঙ্গে পুরো একটি বছর অতিবাহিত করেছে। বাংলাদেশের দেশীয় সংস্কৃতি ও ফোকলোর এবং দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করার স্পৃহা ধরে রেখে বছরের পর বছর অত্যন্ত সুচারুভাবে কাজের মধ্য দিয়ে পথচলা দীর্ঘ হোক ভৈরবীর মতো সংগঠনগুলোর।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close