কর্নেল ডা. নাজমুল হুদা খান (অব.)
বাংলাদেশে কৃষক কার্ড: কৃষি ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জীবিকার প্রধান ভিত্তি, যা জাতীয় জিডিপিতে প্রায় ১১-১৪% অবদান রাখে। কর্মসংস্থানের দিক থেকে প্রায় ৪০% জনগোষ্ঠী এই খাতের সাথে জড়িত। এছাড়া, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং স্বনির্ভরতা অর্জনে কৃষিই আমাদের দেশের মূল চালিকাশক্তি। কৃষির এই নানামুখী গুরুত্বের কারণে, কৃষিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির 'লাইফলাইন' বা মেরুদণ্ড বলা হয়।
বাংলাদেশের কৃষি খাতের বিকাশে কতগুলো অন্তরায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো– কৃষিজমির পরিমাণ ও উর্বরতা হ্রাস, শ্রমিক সংকট, ক্ষুদ্রচাষিদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা, কৃষিপণ্যের দামে অস্থিতিশীলতা, কৃষিতে আধুনিক যন্ত্র ও প্রযুক্তির তুলনামূলক কম ব্যবহার, পুঁজি ও ঋণের সংকট, সীমিত সংখ্যক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি।
দেশের মোট কৃষক পরিবারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কৃষি খাতে সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারেনি। মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য, তথ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা প্রায়ই বঞ্চিত হয়েছেন। এই বাস্তবতায় সরকার “ডিজিটাল কৃষক কার্ড” চালুর যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে কৃষি ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
প্রাথমিক পর্যায়ে যে ৯টি উপজেলায় এই ডিজিটাল কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো- ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল সদর, ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুরের ইসলামপুর, রাজশাহী বিভাগের বগুড়ার শিবগঞ্জ, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় সদর, খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহের শৈলকুপা, বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের নেছারাবাদ, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের জুড়ী ও চট্টগ্রাম বিভাগের টেকনাফ, কুমিল্লা সদর। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচিত এলাকাগুলোর সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করা হবে। প্রাক-পাইলট পর্যায়ের এই তথ্য সংগ্রহের পর ৯টি উপজেলার ৯টি নির্দিষ্ট ব্লকে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
জটিল কোন পদ্ধতিতে নয়, এ স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের এনআইডির একটি কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, রেজিস্ট্রেশন মোবাইল নাম্বার, জমির দলিল কিংবা ভাগে চাষিদের জন্য প্রমাণপত্র এবং ব্যাংক বা মোবাইল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রয়োজন হবে।
এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ডটি পৌঁছে দেবে। এজন্য সংশ্লিষ্টগণকে ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তিনিই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেন। যখন আপনার এলাকায় ‘পাইলট প্রজেক্ট’ বা মূল প্রকল্প শুরু করবে, তখন আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে এটি অনলাইনেও করা যাবে। আপনার দেওয়া তথ্য (জমির পরিমাণ, ফসলের ধরন ইত্যাদি) কৃষি অফিস থেকে সরেজমিনে যাচাই করা হবে। আপনার এনআইডি এবং মোবাইল নম্বরের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হবে। যাচাই-বাছাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আপনাকে এই স্মার্ট কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। কার্ডটি বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সঙ্গে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন করবেন না।
কৃষক কার্ড মূলত একটি স্মার্ট ডিজিটাল পরিচয়পত্র, যা একটি সমন্বিত ডাটাবেজের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে তাদের কাছে সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এটি কেবল একটি কার্ড নয়, বরং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কৃষি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন, সহজ শর্তে কৃষিঋণ পাবেন, কৃষি বিমার আওতায় আসবেন এবং সরাসরি নগদ প্রণোদনা গ্রহণ করতে পারবেন। পাশাপাশি আবহাওয়া তথ্য, বাজারদর এবং রোগবালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
এই কার্ডটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি কৃষকদের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রতীক। এর মাধ্যমে ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা গড়ে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা বা উপকরণ ভর্তুকি পাবেন। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করা যাবে। কার্ডধারীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ এবং অন্যান্য ঋণ সুবিধা পাবেন। উপরন্তু, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়ার আপডেট, বাজার দর এবং ফসলের রোগবালাই দমনে সরাসরি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পাওয়া যাবে।
নতুন ডিজিটাল ডাটাবেজের ফলে কৃষকের প্রোফাইল যাচাই করে সরাসরি কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়া হবে, যা অপচয় রোধ করবে। দ্বিতীয়ত, এ ব্যবস্থাপনায় নগদ সহায়তা সরাসরি কৃষকের মোবাইল ওয়ালেটে (বিকাশ/নগদ) পাঠানো হবে। এর ফলে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী কমিশন কাটার সুযোগ পাবে না। নতুন এই কার্ডের বড় বৈশিষ্ট্য হলো এতে বর্গাচাষিদের নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হবে। আগে অনেক ক্ষেত্রে শুধু জমির মালিকরা সুবিধা পেতেন, কিন্তু এখন যারা প্রকৃতপক্ষে মাঠে কাজ করছেন (প্রান্তিক চাষি), তাদের নিবন্ধিত করে কার্ড দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়ত, ডাটাবেজের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের (বিশেষ করে বর্গাচাষিদের) চিহ্নিত করা সহজ হবে, যা আগে বড় জমির মালিকদের কব্জায় থাকত। তাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা।
আগামী ৪ বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড বিতরণ করার প্রতিশ্রুতির সফলতা নির্ভর করছে এই বিপুল সংখ্যক ব্যক্তি আদৌ প্রকৃত কৃষক কিনা তার ওপর। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতের জন্য বরাদ্দ প্রায় ২৫,০০০ কোটি থেকে ২৭,০০০ কোটি টাকা। ভর্তুকির সিংহভাগ, অর্থাৎ বরাদ্দের প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ ব্যয় হয় সরাসরি রাসায়নিক সার আমদানিতে। অন্য খাতগুলোয় বাকি অংশ ব্যয় হয় সেচে বিদ্যুৎ ভর্তুকি, বীজ সহায়তা এবং কৃষি। মাথাপিছু সরাসরি সার ভর্তুকি দেওয়া হয় প্রায় ১২,০০০-১৫,০০০ টাকা। এটি কৃষক সরাসরি হাতে পান না, বরং সারের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যয় হয়। বন্যা ও খরায় নগদ সহায়তা হিসেবে ১,৫০০-২,৫০০ টাকা বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ ও সেচ সহায়তায় ৮০০-১,২০০ টাকা সেচ পাম্পের বিলের ওপর বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়।
আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ কৃষক কার্ড কার্যক্রমের সাফল্যকে এক অসামান্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। কিষাণ ক্রেডিট কার্ড এবং পরবর্তী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসূচীটি কৃষি খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক সহায়তা কাঠামো তৈরি করেছে। ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া এই ক্রেডিট কার্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের আওতায় আনা, যাতে তারা মহাজন বা অনানুষ্ঠানিক ঋণদাতার উপর নির্ভরশীল না থাকে। এর মাধ্যমে কৃষকরা ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরাসরি পেতে শুরু করে এবং ঋণ পরিশোধের সময়ও ফসলের চক্র অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। একইসাথে কৃষক বন্ধু যোজনা-এর মতো আঞ্চলিক উদ্যোগগুলো কৃষকদের মৌসুমি ইনপুট খরচ বহনে সহায়তা করে, যা উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও স্থিতিশীল করে। এ ছাড়া সয়েল হেলথ কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষকদের জমির মাটির গুণগত মান সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রদান করা হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে সার ব্যবহারের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়, যা একদিকে উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, অন্যদিকে খরচ কমায় এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নির্বাচিত উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যেখানে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এই প্রকল্পে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের, যারা দীর্ঘদিন ধরে কাঠামোগত বঞ্চনার শিকার।
কৃষক কার্ড চালুর মূল লক্ষ্য হলো কৃষি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অপচয় রোধ করা। এতদিন ভর্তুকিযুক্ত সার বা বীজ ডিলারদের মাধ্যমে বিতরণ হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখা গেছে। নতুন ব্যবস্থায় কৃষকের নির্দিষ্ট তথ্যভিত্তিক প্রোফাইল তৈরি করে সরাসরি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধা প্রদান করা হবে। এতে একদিকে যেমন মধ্যস্বত্বভোগীর ভূমিকা কমবে, অন্যদিকে কৃষক তার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতভাবে পাবে।
তবে এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক কৃষক শনাক্তকরণ এবং নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জমির মালিকানা, বর্গাচাষ এবং মৌখিক চুক্তির মতো জটিল বিষয়গুলো সঠিকভাবে ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা সহজ নয়। অতীতে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে তথ্যের ভুলের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়েছেন, আবার অযোগ্য ব্যক্তিরা সুবিধা পেয়েছেন। কৃষক কার্ড প্রকল্পেও যদি এই সমস্যা থেকে যায়, তাহলে এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো প্রযুক্তিগত অবকাঠামো। গ্রামীণ এলাকায় এখনও অনেক কৃষক ডিজিটাল ব্যাংকিং বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তাই তাদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং তদারকির অভাব থাকলে এই উদ্যোগ ব্যাহত হতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা বা খরাও কৃষকদের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা এই কার্ডভিত্তিক সহায়তার কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, প্রতিবেশী দেশে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড এবং সরাসরি নগদ সহায়তা কর্মসূচিগুলো কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশও যদি একইভাবে নির্ভুল ডাটাবেজ, সরাসরি অর্থ স্থানান্তর এবং তথ্যভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে এই কৃষক কার্ড একটি সফল মডেলে পরিণত হতে পারে।
এই উদ্যোগ সফল করতে হলে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, একটি স্বচ্ছ, নির্ভুল এবং নিয়মিত হালনাগাদকৃত ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কঠোর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, কৃষকদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। চতুর্থত, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার ব্যবস্থাপনায় সংস্কার আনতে হবে। সর্বোপরি, এই সহায়তা কার্যক্রমকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষি খাতে একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ, যা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এর সাফল্য নির্ভর করছে মূলত স্বচ্ছতা, সঠিক তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তরিক প্রয়াস থাকলে এই উদ্যোগ সত্যিই কৃষকদের জন্য একটি নতুন আশার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
পরিচালক, মেডিক্যাল সার্ভিসেস, বি আর বি হাসপাতাল









































