তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

  ৩ ঘণ্টা আগে

তাড়াশে রাতের আঁধারে পুকুরের মাছ মেরে আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে রাতের আধারে সরকারি পুকুর খননের নামে ব্যক্তি মার্লিকানাধীন জায়গা দখল ও পুকুরে থাকা প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে এর প্রতিকার চেয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষিকা মোছা. খুরশীদ নাহার। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার তালম ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে।

অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মো. আব্দুর রহিম, খায়রুজ্জামান দুলাল, আব্দুর রহমান ও হেলাল উদ্দিন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের ১৪৬ দাগের ১০ শতাংশ জমি দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে ভুক্তভোগীর পরিবার। পুকুরটির সাথে সরকারি খাস ‘ডাকাত গাড়ী’ নামে পুকুরটির পাড়ে বসবাসরত সুফলভোগীরা সরকারের কাছ থেকে লীজপ্রপ্ত হয়ে মাছ করে আসছে। পুকুরের সামান্য কিছু অংশ ভুক্তভোগীর পুকুরের সাথে এক হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগী খুরশীদ নাহার সরকারি আমিন দ্বারা পুকুরের সীমনা নির্ধারনের জন্য তাড়াশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করলেও কোন প্রকার সমাধান পাইনি। কিন্তু সম্প্রতি সরকারি সুফলভোগী ‘ডাকাত গাড়ী’ পুকুরটি খনন করতে গিয়ে খুরশীদ নাহারের নিজস্ব সম্পত্তির পুকুরের পাড় কেটে দখল করার চেষ্টা করছে এবং ওই পুকুরে চাষ করা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছ মেরে আত্মসাত করেছে তারা।

অবশ্য, সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রভাবশালী মো. আব্দুর রহিম জানান, পুকুরটি সরকারি। সুফলভোগীরা সরকারের কাছে থেকে লীজ নিয়ে পুকুরটি খনন করতেছে। ওই পুকুরটির সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। আর লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পিডিএস/এমএইউ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়