রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
রাঙ্গাবালীতে জিন-ভূত তাড়ানোর নামে প্রতারণা

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সেলোয়ার-কামিজ পরিহিত অবস্থায় ও একাধিক ওড়না গলায় পেঁচানো রিফার গাজী নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার প্রায় এক মাস পার হওয়ার পরেও এলাকাজুড়ে রয়েছে রহস্যময় নানা আলোচনা ও আতঙ্ক।
নিহত রিফাত গাজীর বাড়ির প্রতিবেশীদের দাবি রিফাতের মৃত্যুর পর থেকেই রাতে তারা বিভিন্ন অস্বাভাবিক ঘটনা ও রহস্যময় লাল, নীল ও বিভিন্ন কালারের আলো দেখতে পান। আলোর কাছাকাছি গেলেই ওই সমস্ত আলো অদৃশ্য হয়ে যায়। এ দৃশ্যে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং ভয়ে রাতে ঘর থেকে বের হয় না কেউ।
এ অবস্থায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে মির্জাগঞ্জ থেকে এক হুজুরকে আনা হয়। জিন, ভূত, ও অদৃশ্য আলো তাড়ানোর বিশেষ আয়োজন করা হয়। ওই ফকির হুজুর একটি শিশুর উপরে ভর করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চালান। অনেক চেষ্টা চালানোর পরেও জিন ভূত তাড়াতে পারেনি সেই হুজুর ফকির। তখন এলাকাবাসীর সন্দেহ হয় সেই ফকিরের উপরে সে আসলেই জিন ভূত তাড়ানোর তন্ত্রমন্ত্র জানে, নাকি না তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। সেটা জানতেই এলাকাবাসীর মধ্যে একজন সাজে ভূতের রুগী। হাজার তন্ত্রমন্ত্র ফুঁক-হাক্কা দেওয়ার পরেও রোগীর সাথে জিন-ভূত আছে কি না জানেন না ফকির। এরপরই জনতা আটক করে ওই কথিত প্রতারক ফকিরকে। পরে নিজেই স্বীকার করেন যে, তিনি কোন জিন-ভূত তাড়াতে পারেন না। তিনি এভাবেই প্রতারণা করে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা।
এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে জনতা তাকে আটক করে তাদের হেফাজতে রেখেছেন। তাকে দেয়া হবে পুলিশে।









































