চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

  ১৪ অক্টোবর, ২০২১

পরীক্ষা না দিয়ে চূড়ান্ত তালিকায় নাম

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্বজনপ্রীতি এবং নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করায় প্রকৃত প্রশিক্ষণার্থীরা বাদ পড়েছে।

জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন চিলমারী উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য ‘আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে চিলমারীতে ২টি ট্রেডে ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে  নেওয়া হয়। এর মধ্যে ফ্যাশন ডিজাইনে ২৫ জন এবং ক্রিস্টাল শোপিচ ট্রেডে ২৫ জন।

চিলমারী ইউনিয়নের মনতোলা এলাকার রাজিয়া বেগম, থানাহাট ইউনিয়নের সুলতানা বেগম ও  ফকিরেরভিটা এলাকার জামেলা বেগম মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ না করেও চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  শুধু তাই নয় দুই ট্রেডে ৬টি ইউনিয়ন থেকে ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থী নেওয়ার কথা থাকলেও একমাত্র থানাহাট ইউনিয়ন থেকে প্রায় ২৮ জনকে নেওয়ায় বাকি ইউনিয়নের লোককে না নেওয়ায় প্রকৃত দরিদ্র মহিলারা সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে। 

উক্ত ট্রেডে উপজেলার দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত মহিলাদের নেওয়ার কথা থাকলেও প্রশিক্ষণার্থী ভর্তিতে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

আবেদনকারী রমনা ইউনিয়নের সরকার পাড়া এলাকার মিতু বেগম ও গোলেনুর বেগম বলেন, মৌলিক  পরীক্ষার কথা বললেও শুধু হাজিরা নিয়েই বিদায় করা হয়েছে। লোক দেখানো ভাইভা নেওয়া হয়েছে। সত্যি বলতে কি হয়তো, সবকিছু আগে থেকেই ঠিক করা হয়েছিল। 

অনিয়মের কথা অস্বীকার করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. সখিনা বেগম বলেন, আমরা চেষ্টা করি সঠিকভাবে করতে কিন্তু স্থানীয় কিছু চাপ থাকায় বিপাকে পড়তে হয় আমাদের।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অনিয়ম প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
মৌখিক পরীক্ষা,চিলমারী,মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close