তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

  ২৪ নভেম্বর, ২০২০

বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত চলনবিলের কৃষক

করোনা কালীন সময়ে অতিরিক্ত খাদ্য শস্য উৎপাদনে বোরো আবাদকে সামনে রেখে চলনবিলের কৃষক বোরো বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই কৃষক নিজ জমিতে বীজতলা তৈরি ও বীজ ছিটানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, চাটমোহর, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা রুহাই গ্রামের কৃষক আয়নাল হোসেন জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বিস্তীর্ন ফসলী মাঠে বোরো আবাদের জন্য তারা বোরো বীজতলা তৈরি করছেন। ইতোমধ্যেই যে সকল জমিতে রবিশষ্য আবাদ হচ্ছেনা সে সকল জমিতে প্রথমদিকে অগ্রাহায়ণ মাসের শেষে অথাৎ পৌষ মাসের শুরুতেই যাতে ধান রোপণ করা যায়  সে জন্য তারা দ্রুত গতিতে বীজতলায় বীজ ছিটাচ্ছেন।

তাড়াশের লালুয়ামাঝিড়া গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেন জানান, চলনবিলের প্রত্যন্ত এলাকার আবাদী জমির জন্য ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০-৫০ ভাগ বোরো বীজতলায় বীজ ছিটানো হয়েছে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে বীজতলা থেকে বীজ তুলে জমিতে লাগানো সম্ভব হবে। 

এদিকে স্থানীয় বীজ ব্যাবসায়ীরা জানান, বর্তমানে চলনবিলের হাট-বাজারে বোরো বীজের বিক্রি বেড়ে গেছে। আর কৃষক সুজন মালসহ স্থানীয় একাধিক কৃষকরা বলেন, বোরো বীজের মুল্য তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। ফলে এলাকায় বোরো বীজের কোন সংকট নেই।  

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুলন্নাহার লুনা জানান, চলনবিলের ফসলী মাঠে বোরো বীজতলা তৈরিতে কৃষক ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। আর বোরো বীজের কোন সংকট না থাকায় এ বছর চলনবিল অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত জমিতে বোরো আবাদ করা সম্ভব হবে। 

পিডিএসও/এসএম শামীম

চলনবিল,কৃষক
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়