মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্, হাজীগঞ্জ
হাজীগঞ্জ ও হাইমচরে বাঙ্গির বাম্পার ফলন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে পাকা বাঙ্গি বাজারে বিক্রি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। করোনা আতঙ্কে ক্রেতা সংকট দেখা দিলেও রমজানে তা পুষিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। আর পাকা বাঙ্গি পেয়ে ক্রেতারা বেশ খুশি।
জানা গেছে, চাঁদপুরে বাঙ্গি‘ হুট’ হিসেবে পরিচিত। জেলার সব উপজেলায় বাঙ্গি চাষ হলেও বানিজ্যিকভাবে হাজীগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলায় সবচে বেশি বাঙ্গি চাষ হয়ে থাকে। এ বছর ৫৮ হেক্টর জমিতে বাঙ্গির চাষাবাদ করা হয়েছে। যা বিগত বছরের তুলনায় ১৫ হেক্টর বেশি।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলার উত্তরা লে খিলপাড়া, রাজাপুর, চরপাড়া, ব্রাক্ষণগাঁও, দেওদ্রোন, মালাপাড়া, কাপাইকপ, চারিআনিসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় দু’শতাধিক কৃষক এবার বাঙ্গিচাষ করেছেন। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের বাঙ্গি চাষী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে বাঙ্গির চাষাবাদ করে আসছি। পরের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করি। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হয়েছে বলে তিনি জানান।
কৃষক মিরণ মিয়া জানান, বাঙ্গি শত (একশত) হিসেবে বিক্রি করা হয়। প্রতি ‘শ’ বাঙ্গি ২ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। তিনি বলেন, স্থানীয় পাইকার ও আড়ৎদাররা আমাদের কাছ থেকে পাইকারি হিসেবে বাঙ্গি ক্রয় করে থাকেন। আবার অনেকে আমাদের কাছ থেকে কিনে (ক্রয়) করে ভ্যানগাড়ি করে গ্রামে গ্রামে খুচরা বিক্রি করেন।
রাজাপুর গ্রামের বাঙ্গিচাষী ও পল্লী চিকিৎসক নজরুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলের বাঙ্গি খুবই সুস্বাদু। আমি সবসময় বাঙ্গি বীজ বিক্রি করে আসছি। এবার প্রতি শতাংশে ২ হাজার টাকা করে লাভ হয়।
হাজীগঞ্জে শাহজাহান মিয়া নামের একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, রমজান উপলক্ষে বাঙ্গির বেচাকেনা ভালো। দামও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। তিনি বলেন, সাইজ ভেদে প্রতি পিস বাঙ্গি ৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। পিডিএসও/তাজ









































