নিজস্ব প্রতিবেদক

  ০১ আগস্ট, ২০২১

দেশে আরো ২১৮ মৃত্যু

দেশে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরো ২১৮ জন মারা গেছেন। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৬৯ জন। গতকাল বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগের দিনের তুলনায় এদিন নতুন রোগী কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ হাজার ৯৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রোগী শনাক্ত হার ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের দিন নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৪৫ হাজার ৪৪ জনের। ওই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৩ হাজার ৮৬২ জন। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর মৃত্যু হয়েছিল ২১২ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৬৮৫ জনের। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৭৮ হাজার ২১২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ১৭ জন।

এ সময় মৃত ২১৮ জনের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন, বিশোর্ধ্ব ছয়, ত্রিশোর্ধ্ব ১৭, চল্লিশোর্ধ্ব ৩৭, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৩৭, ষাটোর্ধ্ব ৬৬, সত্তোরোর্ধ্ব ৩৩, আশি বছরের বেশি বয়সি ১৫, নব্বই বছরের বেশি বয়সি চার এবং ১০০ বছরের বেশি বয়সি রয়েছেন দুজন। বিভাগভিত্তিক হিসাবে মৃত্যু ঢাকায় ৬৭ জন, চট্টগ্রামে ৫৫ জন, রাজশাহীতে ২২ জন, খুলনায় ২৭ জন, বরিশালে ১০ জন, সিলেট বিভাগে ৯ জন এবং রংপুর ও ময়মনসিংহে ১৬ জন করে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ কমবেশি হলেও প্রায় দুই মাস ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। মহামারি শুরুর পর থেকে করোনার ধরনগুলোর মধ্যে ডেল্টা সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। এটি আগের যেকোনো ধরনের চেয়ে অনেক বেশি সংক্রামক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশসহ এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৩২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভারতে প্রথম শনাক্ত হওয়া এ ধরন।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ দেশে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ পালন করা হয়। এ সময় সব ধরনের অফিসের পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উপলক্ষে এই বিধিনিষেধ আট দিনের জন্য শিথিল থাকার পর ২৩ জুলাই থেকে আবার দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close