বিনোদন প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থাপনায় চাহিদার শীর্ষে সোনিয়া

বাংলাদেশের ঢাকার মেয়ে এই সময়ের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা শারমিনা সিরাজ সোনিয়া। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশীদের যত অনুষ্ঠান হয় প্রায় সবগুলোরই উপস্থাপনা করেন তিনি। বলা যায়, সেখানে উপস্থাপনায় সোনিয়া নিজেকে আয়োজকদের সবচেয়ে আস্থার এবং নির্ভরতার একজন হিসাবে নিজেকে পরিণত করেছেন। উপস্থাপনায় সোনিযার যাত্রা শুরু হয়েছিল আজ থেকে ঠিক পঁচিশ বছর আগে কিশোরগঞ্জে রিজিয়া পারভীন ও মনির খানের একটি স্টেজ শো মধ্যদিয়ে। এরপর কিছুদিন উপস্থাপনার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে ২০০২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেই সময় কাটে তার।
২০১২ সালে দুবাইয়ে ‘রাক টিভি’র হেড অব প্রোগ্রাম হিসেবেও কাজ করেছেন। আবার ২০১১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এশিয়ান টিভির ‘এশিয়ান মিউজিক’ এবং চ্যানেল নাইনের ‘গোধূলীর নিমন্ত্রণে’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেছেন তিনি। এই দুটো অনুষ্ঠান ছিল তার সিগনেচার অনুষ্ঠান। এরপর আবারো ২০১৫ সালে সোনিয়া পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১৫ সাল থেকে আজ অবধি উপস্থাপনাতেই যুক্তরাষ্ট্রে নিজেকে এক ব্র্যাণ্ডে পরিণত করেছেন সোনিয়া। সেখানকার বড় বড় যত অনুষ্ঠান হয় সবখানেই সোনিয়ার রয়েছে দৃপ্ত পদচারণা। যদিও ছোটবেলায় নাচ শিখেছেন তিনি। পেয়েছেন দুইবার জাতীয় পুরস্কার। কিন্তু একটা সময় এসে সোনিয়া নিজেকে উপস্থাপনার সঙ্গেই নিজেকে সম্পৃক্ত করলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘রোলেক্স’, ‘শ্যানেল’, ‘কার্টিয়ার’র মতো প্রতিষ্ঠানে ব্র্যা- ম্যানেজার এবং ব্র্যা- অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করেছেন সোনিয়া। উপস্থাপনায় সমাদৃত এই গুণী উপস্থাপিকা ‘এনআরবি’, ‘ফোবানা’, ‘ঢালিউড’সহ আরো বেশ কয়েকটি সংগঠন থেকে শ্রেষ্ঠ উপস্থাপিকা হিসেবে সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে অনুষ্ঠিত হয় বিশাল পথ মেলা। যেখানে বিশ হাজারেরও বেশি দর্শক সমাগম হয় তারও উপস্থাপনা করেছেন সোনিয়া। একজন উপস্থাপিকা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদার শীর্ষে সোনিয়া। তবে সোনিয়া বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থাপনা করাটা অনেক অনেক চ্যালেঞ্জিং। কারণ এখানে একজন উপস্থাপিকাকেই মূলত অনুষ্ঠানটি নামাতে হয়। তাকেই মাথায় সবকিছু রাখতে হয়। এটা অনেক চাপ হয়ে যায়। দেশে একজন উপস্থাপককে শুধু তার পার্টটুকুই ভাবতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে এই সুযোগটা নেই। যে কারণে মাঝে মাঝে খুব প্রেসার হয়ে যায়। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার পেশাগত কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। তবে মেধা অনুযায়ী আমার আরো ভালো কিছু করা উচিত ছিল। তারপরও যা আছি, যতটুকু আসতে পেরেছি তাই নিয়ে সন্তুষ্ট।’
উল্লেখ্য, সোনিয়া ঢাকার হোম ইকোনোমিক্স কলেজ থেকে চাইল্ড ডেভেলপম্যাণ্ট বিষয়ে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। তার জন্মদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি।
"









































