তিতাসের ৪ প্রকৌশলী গ্রেফতারে আইইবি’র নিন্দা

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:০১ | আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:০৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোং লি. এর চার প্রকৌশলীকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। একইসঙ্গে এসব প্রকৌশলীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও করা হয়েছে।

রোববার এক বিবৃতিতে আইইবি’র কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু) এই প্রতিবাদ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

বিবৃতিতে শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু),বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনায় করোনাকালের দূর্যোগ মোকাবিলায় সারা দেশে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি প্রকৌশলীরাও সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে সুনামের সাথে কার্য সম্পাদন করছেন। আর এই করোনাভাইরাসের লকডাউনকালীন সময় থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি সেক্টরসহ প্রতিটি সেক্টরে দেশের প্রকৌশলীরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে দূর্যোগ মোকাবিলায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এই দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে আমাদের অনেক প্রকৌশলী মৃত্যুবরণও করেছেন। আবার অনেক প্রকৌশলী অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীনও রয়েছেন। 

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত ভিশন-২০২১, ভিশন-২০৪১ এবং ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে প্রকৌশলীরা দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ভবিষ্যতেও সে ধারা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু আমরা অত্যান্ত পরিতাপের সাথে লক্ষ্য করছি যে দেশে সুনামের সাথে কর্মরত প্রকৌশলীরা বিভিন্নভাবে শারিরীক নির্যাতন, মানসিক অত্যাচার, গ্রেফতার, রিমান্ড এমনকি হত্যাকান্ডের স্বীকারও হচ্ছেন। 

বিবৃতিতে ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু) বলেন, তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোং লি. এর চারজন প্রকৌশলীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ব্যতীত, ফৌজদারি আসামি না হওয়া সত্ত্বেও এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হাতকড়া পরিয়ে গ্রেফতার করে এবং দুই দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়। যা সারাদেশের প্রকৌশলী সমাজে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে এইসব প্রকৌশলীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে এই চার প্রকৌশলীকে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেনস্তা না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। তা না হলে আইইবি পরর্তীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।