প্রতিদিনের সংবাদে খবর প্রকাশের পর

পলাশে খুলে দেওয়া হলো হরিজনদের ঘরের তালা

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:১৫ | আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৩৬

আল-আমিন মিয়া, পলাশ (নরসিংদী)

নরসিংদীর ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানায় বসবাসরত প্রায় অর্ধশতাধিক হরিজন পরিবারের সদস্যদের চাকরিচ্যুত করার পর থাকার জায়গাটাও কেড়ে নিচ্ছিল সার কারখানা কর্তৃপক্ষ। সবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য দিন-রাত এগিয়ে গেলেও হরিজনদের এই দুঃসময়ে কাউকে পাশে না পেয়ে হতাশা আর আতঙ্কের মাঝে দিন পার করছিলেন তারা। এ নিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের সংবাদের অনলাইনে ও পরদিন পত্রিকার প্রিন্টে ‘পলাশের চাকরিচ্যুত হরিজনদের বাসায় তালা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে টনক নড়ে সার কারখানা কর্তৃপক্ষের। 

পরে সোমবার সন্ধ্যায় হরিজন পরিবারের বাসার তালা খুলে পঙ্কজ বাসফোর হাতে বাসার চাবি তুলে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে হরিজনদের পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত এখানেই থাকার আশ্বাস প্রদান করা হয়। এ খবর হরিজন পরিবারের সদস্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তারা প্রতিদিনের সংবাদকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। 

বাংলাদেশ হরজিন যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও এখানে বসবাসকারী পঙ্কজ বাসফোর বলেন, আমার বাবা-মা এখানে থেকে কারখানায় কাজ করছেন। কর্তৃপক্ষ আমাদের সবার চাকরিচ্যুত করার পর এখানে থাকার বাসস্থানটিও কেড়ে নিচ্ছিল। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। এ অবস্থায় প্রতিদিনের সংবাদ আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। আমরা এ পত্রিকা ও সাংবাদিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। 

জানতে চাইলে ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানার সিবিএ সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যায় সারকারখানা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ ঘরের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত তারা এখানেই বসবাস করবে। 

পিডিএসও/হেলাল