কক্সবাজার প্রতিনিধি
করোনা থেকে মুক্তি কামনায় কক্সবাজারজুড়ে আজান

পযর্টন নগরী কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সম্মিলিতভাবে মসজিদ ও বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে আজান দিতে শোনা গেছে।
অঘোষিত ‘লকডাউনে’ সুনসান শহরে রাতের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে খান খান করে দেয় আজানের সেই ধ্বনি। বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া ঘাতকব্যাধি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে এ আজান দেয়া হয়।
বিভিন্ন মসজিদে আর ঘরের জানালা বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্থানীয় শহরবাসী এই আজান দেন। করুণ সেই সুরে ছিল ‘করোনা’ থেকে মুক্তির আকুতি। মহান স্রষ্টার কাছে আকুতি, তিনি যেন মানুষের ভুল-ক্রুটি গুলো ক্ষমা করে দিয়ে এই দুনিয়াকে আবারও বাসযোগ্য ও নিষ্কন্টক করে দেন।
জানা গেছে, স্থানীয় অধিবাসী এই আজানের আয়োজন করেছেন। তারা করোনা রোগের প্রাদূর্ভাব থেকে বাঁচতে আজান দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, শুধু কক্সবাজার শহর নয়, জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ থেকে সম্মিলিতভাবে আজান দিতে শোনা গেছে।
ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, আজান ইসলামের এক মৌলিক ইবাদত। এটি মানুষকে নামাজের দিকে আহ্বান করে। আজানের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়, বিপদ ও আজাব দূরীভূত হয়। মহামারির সময় আজান দেয়া একটি মুস্তাহাব বিষয়। ফিকহে হানাফীর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ রদ্দুল মুখতার বা ফতোয়ায়ে শামীতে আজানদানের ১০টি মুস্তাহাব সময়ের মধ্যে মহামারির সময় আজানের কথা উল্লেখ রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারি থেকে রক্ষায় অন্যান্য আমলের পাশাপাশি আজান দেয়া একটি শরীয়ত সমর্থিত মুস্তাহাব আমল। এা জন্য কোনো সময় নির্ধারিত নেই বলেও জানিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।পিডিএসও/তাজ









































