পেঁয়াজের দামে লাগাম

পাইকারিতে কমলেও খুচরায় প্রভাব নেই, সারা দেশের বাজারে অভিযান, এক মাসের মধ্যেই দাম স্বাভাবিকের আশ্বাস, বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির জন্য এলসি

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১২ | আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২৩

হাসান ইমন

ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব বাজারে হঠাৎ দাম বেড়ে যায় নিত্যপণ্যটির। এতে বিপাকে পড়ে স্বল্প আয়ের মানুষ। গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতায় আশঙ্কিত হয়ে অনেকে বেশি করে কিনতে থাকে পেঁয়াজ। এই অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। বাজার স্বাভাবিক রাখতে সারা দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। কঠোর অভিযান এবং ভারতে আটকে পড়া পেঁয়াজের ট্রাক আসার খবরে কমতে শুরু করেছে দাম। তবে পাইকারিতে দাম কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে বাজারে এখনো প্রভাব পড়েনি, বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বুধবার সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

গতকাল শ্যামবাজার, কারওয়ানবাজার ও রামপুরা বাজার ঘুরে, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা এবং সংশ্লিষ্ট খবরে এসব তথ্য জানা গেছে। শ্যামবাজারে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা কমেছে। দেশি পেঁয়াজ ভালো মানের কেজি বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা। আর একটু ছোট সাইজের দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এছাড়া আমদানি করা ৬০-৬২ টাকা কেজি। আর কারওয়ানবাজারে দেশি পেঁয়াজ পাল্লাপ্রতি (৫ কেজি) ৪২০-৪৫০ টাকায়। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে পাল্লাপ্রতি ৩০০-৩২০ টাকা কেজি।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের নেতা মেসার্স আলী ট্র্রেডার্সের পরিচালক শামসুর রহমান জানান, ভারতের রফতানি বন্ধের খবরে বিভিন্ন জেলার মোকামের ব্যবসায়ী ও আড়ৎদাররা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আবার ক্রেতারাও চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ বেশি কেনা শুরু করায় বাজারে অস্থির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, গত তিন দিনে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে। তবে গত দুই দিনের তুলনায় আজকে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী। আজ (বুধবার) শ্যামবাজারের দেশি পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা, বেশি বাছাই করা ভালো মানের পেঁয়াজ ৯০ টাকা এবং আমদানি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬২ টাকা বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। গত সোমবারও দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

রামপুরা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আল আমিন বললেন, গত পরশু থেকে পেঁয়াজের দাম বেশি। পাইকারি বাজারের ৪৫ টাকার পেঁয়াজ মঙ্গলবার ৮২ টাকায় কিনতে হয়েছে। তিনি বলেন, আগে যারা এক-দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতেন, তারা এখন ৫ থেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ কিনছেন। এ কারণে দাম বেড়ে গেছে। আর পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও দাম বেড়ে যায়।

নির্মাণ শ্রমিক দুলাল বলেন, আমারা দিন আনি দিন খাই। কাজ না থাকলে পেট চলে না। এর মধ্যে কোনো কিছুর দাম বাড়লে খরচও বেড়ে যায়। মজুরি তো বাড়ে না। তিনি বলেন, রোববার পেঁয়াজ কিনেছি ৬০ টাকা করে, আজকে চাচ্ছে ১২০ টাকা।

পেঁয়াজের হঠাৎ দাম বাড়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে অভিযান করা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, কিছু ব্যবসায়ী সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। বাজারে পেঁয়াজের কোনো অভাব নেই। আড়ৎগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তারপরও সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তারা দাম বাড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, এক দিনে দ্বিগুণ দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। মজুদদার ও পাইকাররা বেশি মুনাফার লোভে এ কাজ করেছে।

পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সারা দেশে পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান করা হচ্ছে। যারা কারসাজি করে দাম বাড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবসা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অধিদফতরের এ কর্মকর্তা। পাশাপাশি চাহিদার চেয়ে বেশি পণ্য না কেনার পরামর্শ দেন তিনি।

পেঁয়াজ আমদানিকারক হাফিজুর রহমান বলেন, এবার দেশের আড়ৎদার, কিছু কিছু চাষি ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির জন্য ব্যবসায়ীরা এলসি খুলছেন। পেঁয়াজ নিয়ে এবার আগের মতো অস্থির হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, আজকেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে বলে শুনছি। এটি চালু হলেই বাজার আবার নিম্নমুখী হয়ে যাবে।

এদিকে গতকাল সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে সৃষ্ট অস্থিরতা বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, শিগগিরই মিয়ানমার, মিসর ও তুরস্ক থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। তাই এ মুহূর্তে পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আগামী এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে বলেও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, ভারত সরকারের পেঁয়াজ রফতানি না করার সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়েছে দেশের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। বছরে দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে ছয় লাখ টন। তবে এ মুহূর্তে পেঁয়াজের কোথাও কোনো সংকট নাই। সাধারণ ক্রেতাদের পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় সারা দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো রয়েছে বিস্তারিত—

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানায়, টাঙ্গাইলে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুল ইসলাম। গতকাল বুধবার শহরের পার্ক বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পেঁয়াজের মূল্য তালিকা না টানানো এবং ক্রয়কৃত পেঁয়াজের চালান দেখাতে না পাড়ার অপরাধে ৩ ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার আইনে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানায়, বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রিয়ের দায়ে মানিকগঞ্জে তিন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদফতর। গতকাল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ও ভাটবাউর এলাকার পাইকারি বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের জরিমানা করেন জেলা ভোক্তা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

বগুড়া প্রতিনিধি জানায়, বগুড়ার নন্দীগ্রামে পেঁয়াজের অতিরিক্ত মূল্য রাখার দায়ে দুই পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার সকালে নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুল ইসলাম।

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানায়, গতকাল সকালে উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজারে পেঁয়াজ ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম ভবানীপুর বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মূল্য তালিকা না থাকায় ও বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে চয়েন আলীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানায়, হবিগঞ্জে পেঁয়াজের অতিরিক্ত মূল্য রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। গতকাল বিকেলে শহরের চৌধুরী বাজার ও টাউন হল রোড এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহার নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার আইনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম থেকে এ পর্যন্ত ৩৯ হাজার ৯১৩ টন পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য অনুমোদন (পারমিট) নিয়েছেন দেশের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা। মিয়ানমার, চীন, মিসর, পাকিস্তাান, তুরস্ক ও নেদারল্যান্ডস থেকে এসব পেঁয়াজ আমদানি হবে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম সামুদ্রিক বন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের (প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন স্টেশন) উপপরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল জানান, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমদানিকারকরা গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আইপি নেওয়া শুরু করেন। বিপরীতে ছয়টি দেশ থেকে ৩৯ হাজার ৯১৩ টন পেঁয়াজ আনার অনুমতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে চীন থেকে আসবে ৮ হাজার ৭৮০ টন, মিয়ানমার থেকে ৯ হাজার ৫০২ টন, পাকিস্তান থেকে ৯ হাজার ১৭৯ টন, মিসর থেকে ১০ হাজার ৩৫৩ টন, তুরস্ক থেকে ১ হাজার ৮০০ টন এবং নেদারল্যান্ডস থেকে ৮০০ টন পেঁয়াজ আসবে।

সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের ওপারে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে ১৬৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অপেক্ষায় রয়েছে। যেকানো মুহূর্তে ট্রাকগুলো দেশে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, পূর্বের এলসি করা ১৬৫ ট্রাক পেঁয়াজ ভারতীয় পাড়ে আটকা পড়ে রয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে।

নাটোর : নাটোরে চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন হলেও বেশির ভাগ পেঁয়াজ মজুদ করে রেখেছে বড় ব্যবসায়ী ও বড় কৃষকরা। গত বছরের মতো এবারও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাবে এই আশায় আগে থেকেই মজুদ করে রেখেছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এমনই জানা গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, নাটোর জেলায় পেঁয়াজের চাহিদা ২৬ হাজার ৬৬৮ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে নাটোর জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ৬৫ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সুব্রত কুমার সরকার বলেন, চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে নাটোরে। নাটোর সদর উপজেলার ঘোড়াগাছা উত্তরপাড়া এলাকার জয়নাল গাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই টন পেঁয়াজ মজুদ পায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে মজুদকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানানো হয়।

খুলনা ব্যুরো : খুলনায় সরকারি উদ্যোগে স্বল্প মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হলেও তার প্রভাব পড়েনি বাজারে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির ট্রাকগুলোর সামনে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লেগেই থাকছে। এদিকে, এক দিনের ব্যবধানে নগরীতে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা হারে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। তবে ব্যবসায়ীরা বলেন, ভারতের রফতানি বন্ধ ঘোষণার পর আড়ৎদাররা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

টিসিবির সূত্র জানায়, রোববার থেকে নগরীর ময়লাপোতা মোড়, ডিসি অফিস সংলগ্ন রোড, শিববাড়ী মোড়, বয়রা বাজার মোড়, দৌলতপুর নতুন রাস্তার মোড়ে ডিলাররা ট্রাকের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করছেন। সাধারণ মানুষ ভোর থেকে অপেক্ষা করছেন লাইনে দাঁড়িয়ে। সকাল ৯টা থেকে বিক্রি শুরু হচ্ছে। এসব পয়েন্টে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০ টাকা। এছাড়া ৫০ টাকা দরে চিনি ও মশুর ডাল এবং ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে ভোজ্যতেল। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে এসব পণ্য কিনতে পারছেন।

পিডিএসও/হেলাল