মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

  ২৬ নভেম্বর, ২০২০

প্রেমিকযুগলের আত্মহত্যা মুন্সীগঞ্জে

মুন্সীগঞ্জে এক প্রেমিক যুগল গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তাদের নাম দীপ্ত মজুমদার জয় (২৫)ও মিতু সরকার (২৫)। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বাগমামুদ আলী এলাকার আবদুল কাদিরের বাড়ি থেকে পুলিশ এই তাদের লাশ উদ্ধার করে। কাছাকাছি সময়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে বা কেন তারা একসঙ্গে আত্মহত্যা করলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে দীপ্ত মজুমদার জয় তার প্রেমিকা মিতু সরকারের বাগমামুদ আলী এলাকার বাড়িতে আসে। পরে রাত ৯টার দিকে জয় শহরের একটি খাবার হোটেল থেকে খাবার কিনে তার প্রেমিকা মিতুসহ অন্য সদস্যদের নিয়ে একসঙ্গে খাবার খেয়ে ঘুমানোর জন্যে যার যার রুমে চলে যান। ওই রাতের যে কোনো এক সময় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে প্রেমিক যুগল।

------
আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্যে লাশ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।

জানা গেছে, মিতু সরকার তার মা শেফালি রানি সরকারের সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ শহরে বসবাস করেন। শেফালি রানি সরকার স্থানীয় ইদ্রাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুয়ার চাকরি করেন। তার স্বামী সবজি বিক্রেতা বলরাম চন্দ্র সরকার কিছুদিন হলো মারা গেছেন। ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক ছেলের সঙ্গে ১১ বছর আগে মেয়ে মিতু সরকারকে বিয়ে দেন। তাদের সংসারে অম্বিকা নামের সাত বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। কয়েক মাস আগে স্বামীর সঙ্গে মিতুর বিচ্ছেদ ঘটলে তিনি তার মায়ের কাছে এসে মুন্সীগঞ্জ শহরের বাগমামুদ আলী এলাকার বসবাস শুরু করেন।

এদিকে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার আবদুল মান্নানের ছেলে দীপ্ত মজুমদার জয়ের সঙ্গে মিতু সরকারের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ সম্পর্কের সূত্র ধরেই দীপ্ত মজুমদার জয় মাঝে মধ্যে মিতুদের বাড়িতে এসে থাকতেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে দীপ্ত মজুমদার জয় এ বাড়িতে আসেন এবং রাতে মিতুদের পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে পাশের রুমে জয় ও মিতুসহ তার কন্যাসন্তান অম্বিকাকে নিয়ে ঘুমাতে যান। জানা যায়, দীপ্ত মজুমদার জয় ও মিতু সরকার তারা দুজন এই রাতের যে কোনো গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।

 

 

"

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়