প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ১৩ আগস্ট, ২০২২

কেন তালেবানকে কাছে টানছে চীন?

এক বছর আগে তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী দখল করার পর থেকে দেশটির তীব্র বিচ্ছিন্নতা চীনকে দেশটির ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে একটি ‘বড় খেলোয়াড়ারের’ ভূমিকায় আসার সুযোগ করে দিয়েছে।

যেহেতু কোনো দেশ এখনো তালেবানকে আফগানিস্তানের বৈধ শাসক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, সেহেতু পূর্ববর্তী সরকারের সময় সহায়তা হিসেবে প্রাপ্ত কোটি কোটি ডলারের সহায়তা অদৃশ্য হয়ে গেছে, কোটি কোটি ডলারের রাষ্ট্রীয় সম্পদ আটক করা হয়েছে এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিকে প্রায় পতনের দিকে নিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে তালেবান প্রশাসন সক্রিয়ভাবে চীনা বিনিয়োগ এবং আর্থিক সহায়তা চাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-পরবর্তী আফগানিস্তানে ভূমিকা রাখার চেয়ে বেইজিং তুর্কিস্তান ইসলামিক পার্টি (টিআইপি)-এর মতো গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা পরিকল্পিত আক্রমণের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এটি একটি উইঘুর গোষ্ঠী যেটিকে বেইজিং তার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জিনজিয়াং-এ অশান্তির জন্য দায়ী করে। বেইজিং এটিকে তার পূর্ব নাম পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামি আন্দোলন (ইটিআইএম) বলে উল্লেখ করে। টিআইপি চীন সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে জিনজিয়াং এবং উইঘুরের জনগণকে মুক্ত করতে চায় এবং চীনা স্বার্থের ওপর আক্রমণ চালায়।

বেইজিংয়ের জন্য আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হলো আফগানিস্তানে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকা ইসলামিক স্টেটের আঞ্চলিক সহযোগী ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ (আইএসকেপি) যা ক্রমবর্ধমান হারে চীনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

ইউএনএসসি প্রতিবেদনে আরো দেখা গেছে, আইএসকেপি, টিআইপির প্রায় ৫০ জন সদস্যকে মাসিক উচ্চ বেতনের প্রস্তাব দিয়ে নিয়োগ করতে পেরেছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, গোষ্ঠীটি বাদাখশানের একজন টিআইপি অপারেশনাল কমান্ডারের সঙ্গে তার পদে যোগদানের জন্য যোগাযোগ করেছে কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। সূত্র : ভোয়া।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close