প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

গুরুত্ব দিন সন্তানের পছন্দ অপছন্দকে

যদি সন্তানের থেকে সম্মান আশা করেন, তাহলে আপনারও তাকে স্নেহ ও ভালো বাসতে হবে। তার মতামতকে গুরুত্ব দিন, কথা শুনুন। সন্তান যত ছোটই হোক না কেন, সে যে পরিবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, এই বোধ যেন তার ছোট থেকেই জেগে ওঠে। যদি তার অভিমত মানার মতো না হয়, তাহলে বুঝিয়ে বলুন, কেন তা সম্ভব নয়। নিজের মতামত জোর করে চাপিয়ে দেবেন না।

সন্তানকে শাসন করার সময় খেয়াল রাখবেন, মা-বাবা দুজনই একসঙ্গে শাসন করবেন না যেন। একজন বকাঝকা করলেন, আরেকজন রেগে না গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করবেন। সন্তানকে শাসন করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করবেন না। তাকে বোঝাতে হবে ভুলটা ভুলই। সে যেন বুঝতে পারে অন্যায় করলে মা-বাবা দুজনেই রাগ করেন। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সন্তানের পছন্দ অপছন্দকে গুরুত্ব দিন। কেন আপনি সিদ্ধান্তটা নিচ্ছেন, সেটা বুঝলে ওর নিজেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুবিধা হবে।

ভাষা বা শব্দ প্রয়োগে সচেতন থাকুন। সন্তানকে বকার প্রয়োজন হলে কখনো কোনো খারাপ শব্দ প্রয়োগ করবেন না। এতে সন্তানের সুস্থ মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তার মধ্যেও নোংরা শব্দ প্রয়োগের ঝোঁক সৃষ্টি হবে। অন্য কারোর সঙ্গে তুলনা করে কথা বলবেন না। এতে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়। যেমন ‘অমুক কত বুদ্ধিমান। তোমার মাথায় একেবারেই বুদ্ধি নেই’, এ ধরনের তুলনা করবেন না। বরং বলুন, এটা কি বুদ্ধিমান ছেলের মতো কাজ হয়েছে?

একেক শিশুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য একেক রকম। সেই অনুযায়ী আপনার পরিকল্পনা তৈরি করুন। সন্তান কীভাবে সময় কাটাতে ভালোবাসে, কোন সময়ে পড়তে বসতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, এই সবকিছু মাথায় রেখে দিনের রুটিন নির্দিষ্ট করুন। আলোচনা করে রুটিন করুন।

অতিরিক্ত নিয়মকানুন সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেবেন না। স্কুল থেকে ফিরে অন্তত দুই ঘণ্টা যেন ছোটাছুটি করে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে পারে। ছবি আঁকা, গান গাওয়া, গাছের পরিচর্যার মতো নিজস্ব কিছু শখ থাকলে উৎসাহিত করুন।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close