দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবেই ঘটছে নারী নির্যাতন

প্রতিবাদ সমাবেশে কর্মজীবী নারী

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৩৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোনো নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হচ্ছে না বলেই এই ধরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে বলে মন্তব্য করেছে কর্মজীবী নারী। বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর মিরপুর-১০ সনি সিনেমা হল চত্ত্বরে সিলেটের এম.সি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণসহ দেশব্যাপি নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বক্তরা এই কথা বলেছেন। এ সময় তারার কুমিল্লায় পোশাক চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিক, খাগড়াছড়িতে আদিবাসি তরুণী ধর্ষণ, সাভারে নীলা রায় হত্যাসহ দেশব্যাপি ঘটে যাওয়া ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন কর্মজীবী নারীর সমন্বয়ক মোরশেদা জাহান, হাসিনা আক্তার, ফারহানা আফরিন তিথি ও হুরমত আলী। এছাড়া মিরপুর অঞ্চলের নারী নেতা মাহমুদা, শীলা, রাবেয়া আক্তার, শেখ শাহানাজ ও নার্গিস আক্তার বক্তব্য দেন। 

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, সরকার নারী উন্নয়ণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। তাই সরকারের একনিষ্ঠ ভূমিকাই পারে নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন কমিয়ে আনতে।’ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদাহরণই হতে পারে নির্যাতন বন্ধের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেন তারা।

পরে সমাবেশ থেকে ৬টি দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো মধ্যে আছে, ১. চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিক, খাগড়াছড়িতে আদিবাসী তরুণী, এমসি কলেজে গৃহবধু ধর্ষণ এবং সাভারে নীলা রায় হত্যায় অভিযুক্তকারির দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ২. সব রকম যৌন হয়রানিরকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা ও ৩. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা।

এছাড়া ৪. নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, ৫. নারী ও শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন বন্ধে পরিবার, কর্মক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সংস্কৃতি গড়ে তোলা ও ৬. পাড়ায়- মহল্লায় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সবল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তোলা।

পিডিএসও/এসএম শামীম