বাসাইল প্রতিনিধি
কাশফুল দেখতে ভ্রমণপ্রেমীদের ভিড়

শরৎকালে দিগন্ত জুড়ে চোখ ধাঁধানো কাশফুলের সমাহার। শ্বেত শুভ্রতার কাশফুলের হাতছানিতে বিমোহিত দর্শনার্থীরা।
পথে-প্রান্তরে দেখা মিলে কাশফুলের। এখন নীল আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা। শরতের সৌন্দর্যের উপমায় থাকে সাদা আকাশ আর মুগ্ধতা ছড়ানো কাশফুল। এরকম দৃশ্য চোখে পড়ে টাঙ্গাইল-বাসাইল সড়কের বাসাইল ডিগ্রী কলেজের অর্ধ কিলোমিটার পূর্বে মূল সড়কের উত্তর পাশে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাশফুলের মাঠে ছেলে-মেয়েরা মেতে উঠেছে আনন্দ উচ্ছ্বাসে। নির্মল বাতাসে সাদা কাশফুলের মন মাতানো দোল খাওয়া শীষ দেখতে তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন বিকেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কাশ ফুলের শুভ্রতার সৌন্দর্য্য উপভোগ করার পাশাপাশি ভ্রমণ ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের স্বাক্ষী হতে নিজেদের ধরে রাখছেন ছবির ফ্রেমে।
সেখানে ঘুরতে আসা শারমিন আক্তার বলেন, 'গোধূলির সময় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ ও সাদা কাশফুল যখন বাতাসে দোলতে থাকে তখন মনটা আনন্দে ভরে উঠে।'
ভ্রমণ প্রিয় সুজন পারভেজ ও সজিব বলেন, 'মহামারি করোনায় আমাদের সময় কেমন যেন থমকে গেছে। কিন্তু প্রকৃতি তো আর থেমে নেই। প্রকৃতি সেজেছে নতুন সাজে। তাই আমরাও ছুটে এসেছি এখানে।'
গৃহিনী আখি আক্তার বলেন, 'কাশফুলের সমারোহে বিকেলের বাতাস যেন শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে। শৈশবের স্মৃতিগুলোকেও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এই অপরূপ সৌন্দর্যের কাছে থাকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।'
স্থানীয় আলোকচিত্রী লিমন বলেন, 'সাদা কাশফুল ও সবুজের পাশ দিয়ে চলার অনুভুতি অন্যরকম। এখানে ছবি তুলতে এসে কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখে মনটা ভরে গেছে।
বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন করোনার কারণে মানুষ ঘরে থেকে বাহিরে বের হতে পারেনি ।করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে। কাশফুল প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়।
তিনি বলেন, কাশবন দেখতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। ভ্রমণ পিপাসুদের নিরাপত্তা, নতুন নতুন বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ ও বাসাইলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।









































