উত্তরবঙ্গের জন্য হাসিনার আশীর্বাদ সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন

মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন লিমিটিডে (এসইজেডএল) উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও লাখ লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার আশীর্বাদ বলে মন্তব্য করে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, যমুনার কিনারে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও উদ্যোক্তাদের যেকোনো ভারী শিল্প স্থাপনে যাবতীয় সব সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠছে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন। শিল্পায়ন ও কর্মের সৃষ্টির এই বাণিজ্যিক উন্নয়ন প্রকল্পকে আমি স্বাগত জানাই। উত্তরবঙ্গসহ দেশের উন্নয়নে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রধানমন্ত্রীর যুগোপযোগী পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন ঘটাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এই জোন বাস্তবায়নের জন্য দেশের ১১টি শিল্পের কর্ণধার ব্যবসায়ীদেরও এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি বুধবার বিকালে বেসরকারি উদ্যোগে দেশের সর্ববৃহৎ সিরাজগঞ্জ জেলার সয়দাবাদে প্রতিষ্ঠিত হতে চলা ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন’-এর নির্মিত প্রকল্প কাজ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, সবুজায়নের মাধ্যমে তৈরি সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে উৎপাদিত পণ্য সরবরাহে এখানে স্থল, জল ও রেলপথে যাতায়াত ব্যবস্থা থাকায় বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুবিধা।

১ হাজার ৪১ একরের এই প্রকল্পে ২০ ভাগ জায়গা বৃক্ষরাজি শোভার জন্য রেখেছে। প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের শুধু জায়গার ন্যায্যমূল্যই দেওয়া হয়নি, ৫০ একর জায়গা তাদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হবে বললে মেয়র লিটন সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের কর্মের সৃষ্টি হবে। কাজের সন্ধ্যানে আর রাজধানীতে ছুটতে হবে না। আমি এরই আদলে রাজশাহীর পদ্মার পাড়ে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে একটি ইকোনমিক জোন করব। যাতে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের উন্নত আধুনিক সোনার বাংলা গড়তে পারি।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক ও জাবির সিনেটর শেখ মনোয়ার হোসেন জানান, প্রকল্প এলাকায় প্রায় ২৫ শতাংশ মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে।

একই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, রাস্তাসহ অন্যান্য কাজও সমান তালে এগিয়ে চলছে। ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার সবুজায়নের এ মেগা প্রকল্পে ৪০০ ভাড়ী শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলে মাসে প্রায় চার বিলিয়ন ডলারের পণ্যসামগ্রী উৎপাদন হবে।

 

"