দেশে আক্রান্ত আড়াই লাখের কাছাকাছি

মৃত্যু বেড়ে ৩২৬৭

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক দিনে ২ হাজার ৬৫৪ জনকে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে আড়াই লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। আর এক দিনে মারা যাওয়া ৩৩ জনকে নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ২৬৭ জনে। এ ছাড়া বাড়ি ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ১ হাজার ৮৯০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৫০ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা গতকাল বুধবার নিয়মিত বুলেটিনে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

ব্রিফিংয়ের তথ্য মতে, দেশে ৮৩টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ১৬০টি নমুনা। আগের দিন ৭ হাজার ৭১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ১২ হাজার ৪১৬টি নমুনা। এতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৪ জন; যা আড়াই লাখের কাছাকাছি। ব্রিফিংয়ে করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবাইকে অনুরোধ জানান অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, নিকটস্থ নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করাবেন। নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমেই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। যারা শনাক্ত হবেন, তারা আলাদা থাকবেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ, তা ২ লাখ পেরিয়ে যায় ১৮ জুলাই। এর মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ২৮ জুলাই সেই সংখ্যা ৩ হাজার স্পর্শ করে। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয় বুলেটিনে, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। নাসিমা সুলতানা জানান, নতুন করে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ এবং আটজন নারী। ৩১ জন হাসপাতালে এবং দুজন বাড়িতে মারা গেছেন।

তাদের মধ্যে দুজনের বয়স ছিল ৯০ বছরের বেশি। এ ছাড়া একজনের বয়স ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে, ছয়জনের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে, ১০ জনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, আটজনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, চারজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, দুজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। এই ৩৩ জনের মধ্যে ১৮ জন ঢাকা বিভাগের, ৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, একজন রাজশাহী বিভাগের, একজন খুলনা বিভাগের, একজন বরিশাল বিভাগের এবং তিনজন রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

 

"