reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১২ জানুয়ারি, ২০১৭

পর্যালোচনা

প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা মেধা বিকাশের অন্তরায়

আকরাম খান

নতুন খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিনেই দেশের মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সরকারিভাবে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হয়। শিক্ষার স্তর অনুযায়ী সেগুলোকে জ্ঞানার্জন ও মেধা বিকাশের উপযোগী এবং পর্যাপ্ত গবেষণার মধ্য দিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে। আমরা মনে করি, শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে সেগুলো উপযুক্ত এবং নির্ভরযোগ্য। গরিব, নি¤œ-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকল্পটি আনন্দের এবং মানসিক চাপমুক্ত। চাপমুক্তির সেই আনন্দ আর মানসিক তৃপ্তি খুব বেশি দিন স্থায়ী হতে পারে না। সপ্তাহ কিংবা এক পক্ষকাল পরেই শুরু হয় চাপাচাপি, ‘বই কেনার বাড়তি ঝামেলা’। জানুয়ারি মাস কোনোমতে কাটলেও ফেব্রুয়ারি মাসে নোট-গাইড কিনে না দিলে সন্তানরা আর বিদ্যালয়ে যেতে চায় না। নোট বা গাইডবইগুলোর ওজন এবং পৃষ্ঠা সংখ্যা এত বেশি যে, একটি বইয়ের মূল্য সব পাঠ্যবইয়ের মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি (যদি পাঠ্যবইগুলো কেনা লাগত)। ওইসব গাইডবইয়ে যথেষ্ট অপ্রয়োজনীয় এবং পাঠ্যবইবহির্ভূত বিষয় জুড়ে দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক স্বার্থরক্ষার প্রাণান্ত চেষ্টাও লক্ষ করা যায়। বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকরা কেউ ব্যক্তিগত পছন্দে, আবার কোথাও শিক্ষক সমিতির নামে অনৈতিক উপায়ে বিভিন্ন গাইডবই নির্ধারণ করে থাকেন। সরকারিভাবে নোট-গাইডবই নিষিদ্ধ করা হলেও তা শুধু ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবতা একবারেই ভিন্ন।

আমাদের শিক্ষাজীবনে যারা নোটবই কিংবা প্রাইভেট পড়ত, তারা ছিল নিন্দনীয়; এবং মানের বিচারে কম মেধাবী। পরীক্ষায় নকল করার মতো কম মেধাবীদের এই কাজটি খুব গোপনে করতে হতো। সময় পাল্টে গেছে। এখন কম মেধাবী এবং গরিব শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই নাড়াচাড়া করে, প্রাইভেট পড়ে না। অন্যদিকে, মেধাবীরা বিদ্যালয়ে না গিয়ে বড় বড় গাইডবই পড়ে, দিনে কমপক্ষে চার থেকে ছয়জন শিক্ষকের কাছে যায়। এতে মেধাবীরা নাকি ভালো ফল করে। তবে কম মেধাবীরাও ফেল করে না। চলমান অবস্থায় ‘ফেল’ শব্দটিকে শিক্ষাঙ্গন থেকে বিদায় করার উদ্দেশ্যে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতাই অর্জন করে না, তারাও পাস করে যাচ্ছে। এটি নাকি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের শিক্ষাবান্ধব নীতির অংশ! এই নীতিতে পরীক্ষা পদ্ধতি যা-ই থাক না কেন, মেধাশূন্য হয়ে পড়ছে নতুন প্রজন্ম কিংবা মেধাবীদের মেধা বিকাশ ও মেধার স্তর নির্ধারণ হোঁচট খাচ্ছে দারুণভাবে। শিক্ষার শ্রেণিবিন্যাস যদি হয় জ্ঞানার্জন ও মেধা ক্রমবিকাশের মাধ্যম, তাহলে এই অবস্থার অবসান হওয়া দরকার। পরীক্ষার মূল্যায়ন এবং মেধার স্তর নির্ধারণী বিষয়ে তড়িঘড়ি এবং ঢালাওভাবে উচ্চতর নম্বর প্রদানের কারণে প্রকৃত মেধাবীদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। ফলে মেধাবীদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে হতাশা। যেকোনো প্রতিযোগিতায় হতাশা মারাত্মক প্রভাব ফেলে; যোগ্যতা ও দক্ষতার পরাজয় অনেকখানি ত্বরান্বিত করে।

বর্তমানে দেশের পরীক্ষা পদ্ধতিতে দুটি ধারা বিদ্যমানÑএকটি কাঠামোবদ্ধ (সৃজনশীল), অপরটি বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ)। কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন পাঠ্যবইয়ের বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদ্দীপকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর স্বকীয় মেধার মান নির্ণয়ের চেষ্টা করা হয়। শিক্ষার্থীর নিজস্ব মতামত, যুক্তি এবং উপস্থাপনই সেই মান নির্ণয়ের বাটখারা। সম্মানিত শিক্ষকদের সবাই বিষয়টি সম্পর্কে জানেন কি না কিংবা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে সক্ষম কি না অথবা অভিজ্ঞ কি না, বলা মুশকিল। শ্রেণিকক্ষে বিশ্রাম নিয়ে বাকি সময় প্রাইভেট ও কোচিংবাণিজ্যে শ্রম দিতেই অনেক শিক্ষক অভ্যস্ত। আর যা-ই হোক, শিক্ষার্থীদের ফেল করার দুশ্চিন্তা তাদের করতে হয় না। প্রাইভেট ছাত্র-ছাত্রীদের ‘এ’-প্লাস পাওয়ার জন্য অসদুপায় বাতলে দেওয়া, এমনকি অনৈতিক-অসৎ কর্মেও তাদের এগিয়ে দিতে অনেকেই দ্বিধাবোধ করেন না। অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের কাজ কেবল পরীক্ষা নেওয়া। কর্মরত শিক্ষকদের কাজ নোট-গাইড মুখস্থ করানো। কাজেই বিনা মূল্যে পাঠ্যবই প্রদানের এই মহৎ উদ্যোগ ও প্রণোদনা মূল্যহীন হয়ে পড়তে বাধ্য হয়।

পরীক্ষা পদ্ধতির অপর ধারায় বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কিছু শিক্ষার্থীর জন্য লটারি খেলা। অনুমানে উত্তর দিয়েও কেউ ভালো নম্বর পেতে পারে। এ পদ্ধতিতে যদি কেউ নিতান্তই ফেল করে, সেটাকে ব্যতিক্রম বলতে হয়। বৃত্ত ভরাট বা টিক চিহ্নের পরিবর্তে এক কথায় উত্তর লিখতে বলা হলেও পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীর একটা সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের অন্তত পড়া এবং লেখা শিখতে হয়। বরেণ্য শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল পরীক্ষা পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও পরামর্শ দিচ্ছেন। তার অধিকাংশ মতামতের সঙ্গে আমরা ঐকমত্য পোষণ করি। সম্প্রতি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রশ্নব্যাংক তৈরির ফর্মুলাকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আমাদের আশঙ্কা ও অভিজ্ঞতা ভিন্ন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে প্রতিটি বিষয়ের জন্য ৫০০ প্রশ্নের প্রশ্নব্যাংক তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলো নোট-গাইড বইয়ে প্রকাশ করার জন্য উন্মুক্ত ছিল। তখন দেশে একটি জোক প্রচলিত ছিল, ‘এক ছাত্রকে তার পিতার নাম লিখতে বলায় ছাত্রটির উত্তর ছিলÑদয়া করে চারটি নাম লিখে দিন; আমি একটিতে টিক বসিয়ে দেই।’ তবে সব ছাত্র-ছাত্রী যে একই মানের, তা সত্য নয়। সচেতন অভিভাবকদের প্রচেষ্টা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যক্তিগত ইচ্ছায় পড়ালেখা শেখা ও জ্ঞানার্জনের জন্য পড়ার অনেকেই আছে। তাদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান কত শতাংশ, তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্র-ছাত্রীরাই ভালো বলতে পারেন। মুহম্মদ জাফর ইকবাল সাহেবের দৃষ্টিতে, যেখানে হরহামেশাই সব পাবলিক পরীক্ষা থেকে শুরু করে ভর্তি পরীক্ষা, চাকরির পরীক্ষা, এমনকি বিদ্যালয়ের সাময়িক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়, সেখানে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ওই প্রশ্নব্যাংক কি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, নাকি নিয়ন্ত্রিত? যদি তা উন্মুক্ত থাকে, তাহলে যেমন, নিয়ন্ত্রিত থাকলেও তা কোনো না কোনোভাবে পৌঁছে যাবে নোট-গাইড প্রকাশক এবং কোচিং সেন্টারগুলোতে। ফলে এখন যাদের পড়তে হচ্ছে ১০ কেজি ওজনের গাইডবই, তখন পড়তে হবে কমপক্ষে ৪০ কেজি ওজনের গাইডবই। পড়তে পড়তে এবং কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউটর এবং অভিভাবকদের চাপে মানসিক রোগী কিংবা মানসিক প্রতিবন্ধী হতে হবে শিক্ষার্থীদের।

সনাতন পদ্ধতিতে যখন পরীক্ষার প্রশ্ন করা হতো, তখন শিক্ষার্থীদের অন্তত পাঠ্যবই সম্পর্কে ধারণা থাকতে হতো। সত্য/মিথ্যা, শূন্যস্থান পূরণ, সংক্ষেপে উত্তর, এমনকি কবিতার শেষ আট লাইন সুন্দর করে লেখা ইত্যাদি পাঠ্যবই না পড়ে কারও উত্তর লেখার সুযোগ থাকত না। অবশ্য রচনামূলক প্রশ্নের উত্তরে নোট-গাইডের প্রভাব ছিল অনুশীলনীতে নমুনা প্রশ্ন থাকার কারণে অথবা নমুনা প্রশ্নের বাইরে কোনো প্রশ্ন তৈরি না করার কারণে। তবুও জ্ঞানের জন্য শিক্ষা, শিক্ষার মাধ্যমে মেধা বিকাশ এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদেরও পাঠ্যবই পড়ানোসহ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষণীয় বিষয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের আয়ত্ত করানোর প্রয়োজন হতো।

ঘন ঘন শিক্ষা পদ্ধতি ও পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনসহ নতুন নতুন বিষয় সংযোজিত হওয়ায় শিক্ষকদের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অর্জিত অভিজ্ঞতা কোনোই কাজে লাগছে না। তাদের জন্য সময়োপযোগী পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দরকার। আবার, সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করার দক্ষতা ও যোগ্যতা কিংবা মান যাচাইয়ের অভিজ্ঞতা যাদের নেই, সেসব শিক্ষক দিয়ে সৃজনশীল মেধা বিনির্মাণ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়ন হাস্যকর। এখনও প্রায় শতভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন তৈরির ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র কিনে আনতে হয়। তবে এ কথাও সত্য, পুঁথিগত বিদ্যা অবিদ্যারই নামান্তর। শ্রেণিভিত্তিক পুঁথি-পুস্তকের বিষয়বস্তুকে শিক্ষার্থীর নিজস্ব জ্ঞানভা-ারে পরিপূর্ণভাবে ধারণ করার নামই শিক্ষা। এরূপ শিক্ষা পর্যায়ক্রমে মেধাবীদের মেধা বিকশিত করে, কম মেধাবীদের মেধাকে শানিত করে। বর্তমানের ঢালাও পাস আর ‘এ’-প্লাস তার প্রধান অন্তরায়। আমরাও চাই, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করুক। গ্রেডিং পদ্ধতিতে তাদের প্রকৃত মেধাস্তর নির্ধারিত হোক।

নিয়ম অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযোগী করে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রেরণ করার কথা। কিন্তু দেশের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক জেনে গেছেন, কোনোভাবে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারলেই নিশ্চিত পাস। বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরীক্ষা বা নির্বাচনী পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হতে পারছে না, পাবলিক পরীক্ষায় তারাও ভালো ফল করছে। এর ফলে প্রভাবশালী ও ম্যানেজিং বা গভর্নিং কমিটির দৌরাত্ম্য, ব্যক্তিগত উপরোধে ঢেঁকি গেলাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনৈতিক কর্মকা- বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং এককভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দোষ দেওয়া যায় না।

এত কিছুর পরও প্রকৃত মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা স্তরে গিয়ে নাস্তানাবুদ হতে হয়। ভর্তি পরীক্ষার নামে সেখানেও চলছে ভর্তিবাণিজ্য। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইউনিটভিত্তিক আবেদন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে কমপক্ষে ডজনখানেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন দেখে মনে হয়, সেটা একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এমসিকিউ পদ্ধতিতে সেখানে এমনসব প্রশ্ন করা হয়, যা কোনো শিক্ষার্থী অতীতের কোনো পাঠ্যবইয়ে তো নয়ই, শিক্ষাজীবনেও কখনই তার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়নি। বিভিন্ন নোট-গাইড থেকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেখানে উচ্চশিক্ষার উপযুক্ত মেধা যাচাইয়ের মহড়া দেওয়া হয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে পড়ার আগেই তাদেরকে নোট-গাইড বা কোচিং সেন্টারে গিয়ে সর্বোচ্চ শিক্ষা অন্ধের মতো রপ্ত করতে হয়। সুতরাং প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই বা স্তরভিত্তিক জ্ঞান আহরণ তাদের কাছে অসাড় এবং অপ্রয়োজনীয়। সুতরাং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান আহরণ এবং মেধা বিকাশের ঘাটতি হওয়ায় মেধাশূন্য নতুন প্রজন্মের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একদিকে চাকরি বাণিজ্যের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পরিসেবা সংস্থাগুলো এবং প্রশাসনিক দফতরের সর্বস্তরে মেধাবীদের প্রবেশাধিকার হরণ, অন্যদিকে শিক্ষাক্ষেত্রে জ্ঞান আহরণ ও মেধা বিকাশের বৈরী পরিবেশ জাতিকে এক কঠিন দুঃসময়ের দিকে ধাবিত করছে বলে মনে হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের প্রধান এবং সহজ উপায় হলো, সবার আগে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার করা। শিক্ষক হিসেবে মেধাবীদের অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষালয়েই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণের নিশ্চয়তা বিধান করা দরকার। যেকোনো মূল্যে শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের সব অপব্যবস্থা নির্মূল করে মানসিক চাপমুক্ত আনন্দ আলোয় শিক্ষালয়গুলোকে আলোকিত করতে হবে। সেই আলোয় শিক্ষার্থীরা যেন দলে দলে ছুটে এসে নিজেদের আলোকিত করতে পারে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

[email protected]

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Error!: SQLSTATE[42S02]: Base table or view not found: 1146 Table 'protidin_sangbad.news_hits_counter_2020_04_07' doesn't exist
Error!: SQLSTATE[42S02]: Base table or view not found: 1146 Table 'protidin_sangbad.news_hits_counter_2020_04_07' doesn't exist