চট্টগ্রাম ব্যুরো

  ১১ অক্টোবর, ২০২১

বললেন তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ এখন সম্প্রীতির দেশ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে এখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, বিশ্বে অনন্য উদাহরণ। পাকিস্তানের রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিল সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা। এই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থায় পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীকে শত্রু হিসেবে দেখা হতো। তারা ন্যায্য অধিকার পাচ্ছিল না। সেই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনা করার জন্যই আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যুদ্ধ করে ও রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি।

গত শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চেক ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি উত্তম কুমার শর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক বেনু কুমার দে, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী (উপসচিব) হিল্লোল বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার ইউনুস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ইদ্রিছ আজগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অসীম বরণ সুশীল।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, এই চেতনা নিয়েই বাংলাদেশে আমরা বাঙালিরা মিলেমিশে একাকার হয়ে বসবাস করছি। সেজন্য আমাদের দেশে যখন ঈদ উৎসব হয়, সেই উৎসবের আনন্দ শুধু মুসলিমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেই আনন্দ সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সঞ্চারিত হয়।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপিসহ তাদের মিত্র কিছু রাজনৈতিক দল আছে, যারা মনে করে তাদের প্রথম পরিচয় হচ্ছে তারা কে কোন ধর্মাবলম্বী। দ্বিতীয় পরিচয় হচ্ছে, তারা কি বাংলাদেশি না বাঙালি, এই নিয়ে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে থাকেন। এটিই হচ্ছে তাদের সঙ্গে আমাদের মৌলিক পার্থক্য।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানি দিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার এটিকে কঠোর হস্তে দমন করেছে এবং আমরা ভবিষ্যতেও কেউ যদি উসকানি দেয়, তা দমন করতে বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত, সাধারণ সম্পাদক অসীম দেব, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট পঙ্কজ কুমার চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শৈবাল চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক সুপায়ন সুশীল প্রমুখ।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close