মোশারফ হোসাইন

  ০২ মার্চ, ২০২২

ক্যামেরায় বন্দি মানবিক গল্পের কারিগর

ফেসবুক ও ইউটিউব ব্যবহার করেন তারা ফিরোজ হাসানকে চেনেন না এমন মানুষ কমই আছেন। মানবিক সহায়তার পাশাপাশি ‘ফ্রি মোশন’ নামে মানবিক ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে স্যোশাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এই তরুণ। বাইকে হাত রেখে ছুটে চলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। হেলমটে রাখেন ক্যামেরা, সেই ক্যামেরায় বন্দি করেন মানবিক গল্প।

দুরন্ত পথে ছুটে চলা ফিরোজ হাসান জানান, এই কাজের জন্য তেমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না, ভ্রমণের সুবাদে এবং মানবিক চেতনা থেকেই শুরু। আর অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্যাপারটা আগেও কিছুটা ছিল, তবে তা ভিডিও আকারে প্রকাশের শুরুটা ছিল ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি থেকে। ভ্রমণ আমার পছন্দ আর চলার পথে অসহায়, গরিব ও যাদের সাহায্যের প্রয়োজন, তাদের সবটা তো আর মিটানো সম্ভব নয়, তাই আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যতটা সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। আর এদের জন্য কিছু করতে পারলে মনে অন্যরকম প্রশান্তি লাগে। কাজটি যখন শুরু করি, তখন পরিবার এবং আশপাশে যারা আছেন সবাই বিষয়টি ভালোভাবেই নিয়েছেন এবং আরো বেশি সহযোগিতা করার জন্যে আমাকে উৎসাহিত করেছেন। আমার ভিডিও তৈরির প্রধান উদ্দেশ্যই হলো মানবিক কাজে মানুষকে উৎসাহিত করা।

ফিরোজ হাসান চাদঁপুর থেকে এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করে ঢাকায় আসেন, পরে ঢাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন।

তিনি আরও বলেন, যখন কোনো অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করি, তাদের মুখের হাসি আমাকে অন্যরকম এক প্রশান্তি দেয়। যেটার কোনো বিনিময় নেই। আমি যেহেতু সবেমাত্র পড়াশোনা শেষ করেছি, যতটুকু পারি সামর্থ অনুযায়ী মানুষকে সহযোগিতা করি। ভিডিওর মাধ্যমে মানুষকে উৎসাহিত করি।

কাজ করতে গিয়ে কখনো কী বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে? এ প্রসঙ্গে ফিরোজ বলেন, বিব্রতকর পরিস্থিতি যদি বলি তাহলে বলতে হয় কিছু অসাধু ব্যক্তি আমার নাম এবং আমার পেজের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ডোনেশন নিচ্ছে। আবার অনেকেই আছে ফেক আইডি করে নিজেকে ফিরোজ হাসান পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছে, যেটি খুবই দুঃখজনক।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
মানবিক গল্প,ক্যামেরা,ফ্রি মোশন,ফিরোজ হাসান
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close