ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাউন্সিলর ভান্ডারীর সাংবাদিক সম্মেলন

জায়গা দখলে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৩৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

জায়গা দখলে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহ মো. শরীফ ভান্ডারী। বুধবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সুনাম নষ্ট কারীদের বিচার দাবি করেন।

কাউন্সিলর হিসেবে সুনাম ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার কারণে আগামী পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তার সুনাম বিনষ্টের চক্রান্ত শুরু হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০ অক্টোবর কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে পৌর এলাকাধীন নয়নপুরে আবদুল মান্নান নামে এক ওমান প্রবাসীর মালিকানাধীন ৬৩ শতক জায়গা ছয়বাড়িয়া গ্রামের মোস্তফা কামাল ওরফে মস্তু মিয়া দখল করে নিয়েছেন এবং আমার নেতৃত্বে এই দখল হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

আমি ছাড়াও আমার ৩ ছেলে শাকিল, শাওন ও অনিক এ ঘটনায় জড়িত এবং আমরা প্রবাসী আবদুল মান্নানকে মারধর ও তার মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেই বলে অভিযোগ করা হয়। এঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে কাউন্সিলর শরীফ বলেন, উল্লেখিত জায়গাটি নয়নপুর মৌজার এসএ ১৫০ এবং হাল বিএস ৩০৪ দাগে অবস্থিত।

এই দাগের ৩৮ শতক জায়গা মতিউর রহমান গং এর কাছ থেকে বিভিন্ন দলিলমুলে খরিদাসূত্রে মালিক হন মোস্তফা কামাল মস্তু। ক্রয়ের পর থেকেই উল্লেখিত জায়গায় মস্তু মিয়া টিনসেড ঘর, গোডাউন নির্মাণ ও পাথর মজুদ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। নিকট আত্বীয় হওয়ায় মস্তু মিয়া ব্যবসায়িক কাজে জায়গাটি ব্যবহারের জন্যে শরীফের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। মস্তু মিয়ার মালিকানাধী এই জায়গা নিয়ে প্রবাসী আবদুল মান্নান তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মান সম্মান বিনষ্টের চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন।

এই ঘটনার বিষয়ে আবদুল মান্নান থানায় যে অভিযোগ দেন এর তদন্ত করেও পুলিশ কোন সত্যতা পায়নি। ২১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার এসআই আবদুল মোতালেব তদন্ত করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। যাতে জায়গা দখল বা হুমকী দেয়ার প্রমান পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। বরং মস্তু মিয়ার খরিদকৃত ভূমিতে নির্মান কাজে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

শরীফ ভান্ডারি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপনকারী প্রবাসী আবদুল মান্নানের বিচার দাবি করেন। এসময় সাংবাদিক সম্মেলনে ভান্ডারীর তিন ছেলেও উপস্থিত ছিলেন।

পিডিএসও/এসএম শামীম