বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় তরুণীর আত্মহত্যা

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৬:৪৭

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হবু বরের সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় আত্মহত্যা করেছে সালমা আক্তার (১৮) নামে এক তরুণী। উপজেলার দৌলখাঁড় ইউপির কান্দাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের সেলিম মজুমদারের মেয়ে। বুধবার নিহতের মরদেহ উদ্ধার করতে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন থানা পুলিশ। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন তারিখে জোড্ডা পশ্চিম ইউপি ঘোড়াময়দান গ্রামের দারগা আলীর ছেলে সৌদি আরব প্রভাসি আবু জাহেরর সঙ্গে পারিবারিকভাবে শুভ বিবাহের হর্দ্রনামা হয়। এতে ৪ লাখ টাকা দেন মোহর হিসেবে দার্য হয়। আর ছেলে বিদেশ থেকে আসলে বিয়ের দিন তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এরি ফাঁকে ছেলে মেয়ে প্রায় সময় মুঠো ফোনে কথা বলে। সোমবার ছেলে মেয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যরা এ বিয়ে ভেঙে দেয়। এ কথা শুনার পর সালমা নিজকে সামলাতে পারেনি।

মঙ্গলবার বিকেলে অভিমান করে ও নিজের পরিবারের আত্ম সমানের কথা চিন্তা করে বিষপান করে সালমা। সে ঘণ্ট খানেক পরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন ওই দিন রাতে সালমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে এস আই সোহেল মিয়া নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে নিহরে পিতা সেলিম মজুমদার বলেন, সালমার বিয়ে ঠিক হয়। গত কয়েদিন পূর্ব তা ভেঙে যায়। এখন সে কি জন্য বিষ পান করেছে তিনি কিছুই জানেন না। কারও বিরুদ্ধে তার কোন অভিযোগ নেই। সব আল্লাহ দেখছে। তিনি বিচার করবেন। 

এ নিয়ে ঘোড়াময়দান গ্রামের সৌদি আরব প্রভাসি আবু জাহেরর পিতা দারগা আলীর সঙ্গে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়। 

পিডিএসও/এসএম শামীম