নারী পাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

মানব পাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে বেনাপোল এবং ঝিকরগাছা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকার সিাইডি পুলিশ। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় নিয়ে আসে সিআইডি। গ্রেফতারকৃতরা হলো বেনাপোল পোর্ট থানার রায়পুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৪), ধান্যখোলা গ্রামের শাহিন আলী (২৬) ও ঝিকরগাছা থানার সুনিল ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (৩১)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার আসামিরা ঢাকা থেকে অবৈধপথে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশে আসা দুই নারীকে বেনাপোলের পুটখালী এলাকার একটি জায়গায় ধর্ষণ করে। ধর্ষিতা ২ নারী ভারতে প্রবেশ করতে না পেরে ঢাকায় ফিরে পুলিশের কাছে ধর্ষণ ও পাচারের অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এই তিনকে গ্রেফতার করা হয়। গত রোববার বেনাপোলের রায়পুর গ্রাম থেকে রফিকুল ইসলামকে, একই দিন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রাম থেকে শাহিন আলীকে ও গত বুধবার (সকালে ঝিকরগাছা বারাকপুর গ্রাম থেকে বেনাপোল চেকপোস্টের দিপ এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার বিপ্লব ঘোষকে ঢাকা সিআইডি পুলিশ আটক করে। ঢাকার সিআইডি পুলিশ আটকের পর তাদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্যই গত বুধবার বিকালে বেনাপোল পোর্ট থানায় নিয়ে আসে। তাদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়ার পর একটি মাইক্রোবাসে করে আসামিদের ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা গেছে, বেনাপোল চেকপোস্টের সাদিপুর সড়কে অবস্থিত দিপ এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই অভিযোগকারী দুই নারীকে সীমান্ত পার করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।

ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী এ ব্যাপারে দিপ নারায়ণ জানান, ‘যতদূর জেনেছি গ্রেফতারকৃত রফিকুল মেয়ে দুটোকে ঢাকা থেকে এনেছিল। সে আমার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বিপ্লব ঘোষ এর নাম পুলিশের কাছে উল্লেখ করেছে। সে কারণে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে গেছে। কি হয়েছে না হয়েছে আমি কিছুই জানি না।’

বেনাপোল পোর্ট থানার দায়িত্বরত এএসআই মুরাদ হোসেন বলেন, গ্রেফতারদের সম্পর্কে আমরা সুনিশ্চিত কিছু জানি না। তবে সম্ভবত এটা নারী পাচারের অভিযোগ হতে পারে। পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বলেন, এই বিষয়টি সম্পর্কে আমিও নিশ্চিত নয়। বিস্তারিত জানেন ঢাকার সিআইডি।

 

 

"