শিশুর গ্যাস হলে করণীয়

গ্যাসের সমস্যায় শুধু বড়দেরই হয় না, ছোটদেরও হয়। তারাও কিন্তু কষ্ট পায়। পেট ভরা থাকলেও নবজাতক শিশুরা কান্না-কাটি করলে বুঝবেন তারা গ্যাসে কষ্ট পাচ্ছে।
নবজাতক শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে থাকে। মায়ের খাওয়া-দাওয়ার কারণেও বাচ্চার পেটে গ্যাস হতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে বা ঠিকঠাক করে দুধ না খেলেও এ সমস্যা দেখা দেয়। সে সময় মায়েরা কি করেন? ওষুধ খাইয়ে বাচ্চাদের গ্যাস কম করার চেষ্টা করেন। কিন্তু খুব সহজ একটি উপায় বাচ্চাদের গ্যাস দূর করা যায়। এ ক্ষেত্রে মালিশ করে শিশুর পেট থেকে গ্যাস বের করা যাবে। তবে মনে রাখবেন মালিশ করার জন্য ভালো তেল ব্যবহার করতে হবে, কারণ শিশুদের ত্বক থাকে খুবই সেনশিটিভ।
শিশুদের গ্যাস হলে কী করবেন
১. খুব আলতো হাতে বৃত্তাকারে শিশুদের পেট মালিশ করুন। নাভির কাছে, ডান থেকে বাঁ দিকে বৃত্তাকের মালিশ করুন। পেটের ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন না।
২. গ্যাসের কারণে বাচ্চার পেটে ব্যথা হলে শিশুর পেটে নিজের আঙুল দিয়ে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ম্যাসাজ করুন। নাভির ওপর আঙুলের সাহায্যে মুনওয়াকের মতো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, মালিশ করার সময় নখ যেন কাটা থাকে, যাতে শিশুর ব্যথা না লাগে।
৩.শিশুর গ্যাসের সমস্যা হলে তাকে উপুড় করে হাঁটুর ওপরে শোয়াতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে তার পিঠে মালিশ করতে হবে। এভাবে কিছুক্ষণ মালিশ করলে শিশুর গ্যাসের সমস্যা দূর হবে।
৩. পিঠে মালিশের পর যদি কাজ না হয়, তবে শিশুকে স্বাভাবিকভাবে শুইয়ে তার পেট মালিশ করতে হবে। আস্তে আস্তে হাতের আঙুল দিয়ে তার পেটে চাপ দিয়ে মালিশ করতে হবে।
৪. বাচ্চা যত বেশি কান্না করবে, তত বেশি তার কান্নার সঙ্গে বাতাস পেটে ঢুকবে। এই বাতাসও কিন্তু পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে। তাই শিশুর কান্নার আগেই তার সঙ্গে খেলা করুন বা তাকে খেতে দিন।









































