নিজস্ব প্রতিবেদক
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন আজ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আত্মপক্ষ সমর্থন করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পাশাপাশি তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন। গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনে এ শুনানি হয়। দুই আসামির বক্তব্য রেকর্ড শেষে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আজ বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন আদালত। এর আগে এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন।
তাদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে শুনানি করেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমুল্ল্যাহ। এদিন বেলা ১১টা ১০ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান আদালত। এর আগে আসামি সোহেল ও তার স্ত্রীকে আদালতে তোলা হয়। এরপর আসামি সোহেলের কিছু বলার আছে কি না- জানতে চাইলে সোহেল আদালতকে বলেন, আমি নির্দোষ খালাস চাই। আমার একটা ছাওয়াল আছে, আমাকে মাফ করে দেন। আমার সঙ্গে ছিল ডলার। ওকে কেউ দেখে নাই স্যার। ওরে ধরেন স্যার। আমার পাপের শাস্তি আমারে দেন। আরেকটা কথা, আমার বউ নির্দোষ। এ সময় বিচারক তাকে থামিয়ে বলেন, আপনারটা আপনি বলেন। এরপর সোহেল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
এরপর স্বপ্নার বক্তব্য শুনতে চান আদালত। স্বপ্না আদালতকে জানান, আমি কিছু করিনি। এ সময় আদালত তাকে উদ্দেশ করে বলেন, দরজা কেন খোলেননি, এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে চান কি না। এ সময় তাকে সতর্ক করে আদালত বলেন, আপনার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হলে যে শাস্তি তার হবে, একই শাস্তি আপনারও হবে। এরপর স্বপ্না আবারও বলেন, স্যার আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি।
"








































