ব্রেকিং নিউজ

দেশে ১৪৪ দিনে শনাক্ত ৩ লাখ ৯০ হাজার পার

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের ১৪৪তম দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৯০ হাজার পার করল। এছাড়া আরো ২১ জনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৬৮১ জন। গতকাল সোমবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য জানায়। সেখানে বলা হয়, সকাল

৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ১ হাজার ৬৩৭ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬ জন হলো। আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ২১ জনকে নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৮১ জনে দাঁড়াল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ১ হাজার ৬২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত একদিনে। তাতে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ, তা সাড়ে ৩ লাখ পেরিয়ে যায় ২১ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১০ অক্টোবর তা সাড়ে ৫ হাজারে দাঁড়ায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়ে গেছে; মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১১ লাখ ১৩ হাজারের ঘরে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে সপ্তদশ স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩১তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১০টি ল্যাবে ১৫ হাজার ১৪৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৭১৪টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ, এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৮ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগ পর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

 

 

"