reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রাজনীতিতে নির্বাচনি হাওয়া

লড়াইয়ে সমাধান দেখছে বিএনপি, ছাড় দেবে না আ.লীগ

ফাইল ছবি

আগামী সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনীতির মাঠ দখলে রাখার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। কোনোভাবেই বিএনপিকে ছাড় দেবেন না ক্ষমতাসীনরা। সর্বশেষ দলের কার্যনির্বাহী সংসদের আলোচনা সভায় শীর্ষপর্যায় থেকে এ ব্যাপারে আভাস দেওয়া হয়েছে। বিএনপির যেকোনো কর্মসূচির দিনসহ আগে ও পরের দিন পর্যন্ত দেশব্যাপী সভা-সমাবেশ, মিছিলসহ কর্মসূচি রেখে মাঠে সক্রিয় থাকবেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের সম্ভাব্য আন্দোলন মোকাবিলায় দলকে প্রস্তুত করতে এরই মধ্যে তৃণমূল গোছাতে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্তরা কাজে নেমে পড়েছেন। আট বিভাগের জন্য আটটি সাংগঠনিক দলও সক্রিয় হচ্ছে। পাশাপাশি অনলাইনে গুজব ও অপপ্রচার মোকাবিলায় এক লাখ অনলাইন অ্যাকটিভিস্টকে প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছে দলটি। ইস্যু তৈরি করে জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো অপশক্তি আন্দোলনের চেষ্টা করলে রাজপথেই তার জবাব দিতেও প্রস্তুত আওয়ামী লীগ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক মাঠে বিএনপি শক্তি দেখাতে না পারলে দেশি-বিদেশি কোনোপক্ষই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না। এমন উপলব্ধির কথা জানা গেছে দলটির নেতাদের সঙ্গে গত তিন দিনের টানা সিরিজ বৈঠকে। বৈঠক থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের দাবির কাথা জানিয়েছে বিএনপি। তবে তাদের এ ইস্যুতে কোনো সুযোগ দেবে না আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীনরা বিএনপির এই দাবিকে সংবিধানবিরোধী বলে নাকচ করে দিয়েছেন। বিএনপির বৈঠকের শেষ দিনের মাথায় গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে হওয়া এই বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বিশেষ সিরিজ সভায় অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা না করে সরকারবিরোধী সিরিজ ষড়যন্ত্রের রূপকল্প তৈরির গোপন বৈঠক করছে। এই সিরিজ সভা সিরিজ বোমার পৃষ্ঠপোষক বিএনপির সিরিজ ষড়যন্ত্রের রূপকল্প তৈরিরর গোপন বৈঠকগুলো তারা করছে। বিএনপিকে রাজনৈতিক মাঠে শক্ত হাতে দমনের কথাও জানানো হয় আওয়ামী লীগের বৈঠক থেকে। আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবিতে শেষ পর্যন্ত বিএনপি কতটুকু অনড় থাকে, তার ওপর নির্ভর করছে সরকারি দল আওয়ামী লীগের পরবর্তী পদক্ষেপ। বিএনপি নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানালে আওয়ামী লীগও বিকল্প পদক্ষেপ নেবে। তবে সংবিধানের বাইরে একচুলও নড়বে না সরকারি দলটি।

দলটির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার না হলে বিএনপি নির্বাচনে আসবে না, এমন ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে সরকারি দল। সহায়ক সরকার নিয়ে বিএনপি অনড় থাকলে আওয়ামী লীগের প্রথম কৌশল হবে সংবিধানে সহায়ক সরকার নেই উল্লেখ করে চূড়ান্তভাবে তা প্রত্যাখ্যান করা। আর এর মধ্য দিয়ে বিএনপি নীতিগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। আর বিএনপি অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে ভোটে অংশ নিলে ইমেজ সংকটে পড়বে। তবে বিএনপি নির্বাচনের ইস্যু নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে মাঠে নামবে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে গ্রহণযোগ্য ইসির দাবিতে তাদের মাঠে নামার পরিকল্পনা আছে।

তবে এসব নিয়ে বিএনপি রাজপথে নামতে চাইলে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ‘বিএনপি যে আন্দোলন করার চেষ্টা করবে তা-ই রাজপথে মোকাবিলা করা হবে। তারা (বিএনপি) আবার নির্বাচনের আগে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করবে, মানুষ পোড়ানোর চেষ্টা করতে চাইলে আওয়ামী লীগ বসে থাকবে না। দেশের জণগণকে হাতে নিয়ে তাদের সমুচিত জবাব দেওয় হবে।’

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমাদের পুরোদমে লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায়েও দলকে শক্তিশালী করা। দল যখন শক্তিশালী হবে, তখন বিএনপির কোনো আন্দোলনই ধোপে টিকবে না। যে দলের দ-িতপ্রাপ্ত নেতা আন্দোলনের পরামর্শ দেয় সে দলের নেতারা আন্দোলনে সফল হবেন না। আওয়ামী লীগে রাজনৈতিকভাবে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল হতে দেবে না।’

লড়াইয়ে সমাধান দেখছে বিএনপি

দল-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু সংসদ নির্বাচন আদায় করার জন্য একমাত্র রাজপথকেই সমাধান হিসেবে দেখছে বিএনপি। আন্দোলনের মাঠে থেকেই বর্তমান সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করা যেতে পারে। তাই রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম ছাড়া কোনো সমাধান আপাতত বিএনপির সামনে নেই। আর সরকারবিরোধী আন্দোলন ছাড়া এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়াকে আত্মহত্যার শামিল ভাবছেন দলটির নেতারা। রাজনীতির মাঠে শক্তি দেখাতে না পারলে দেশি-বিদেশি কোনো পক্ষই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না। দলীয় নেতাদের এই মনোভাবের কথা জানা গেছে দলটির নেতাদের সিরিজ বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক নেতার কাছ থেকে। আর তাই আগামী নির্বাচন সামনে রেখে রাজপথে বাঁচা-মরার লড়াই বিএনপির একমাত্র করণীয় বলে জানা গেছে।

গত সপ্তাহে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে তিন দিনব্যাপী মতবিনিময় সভায় এসব মতামত উঠে আসে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে তিন দিনের মিটিংয়ে বিএনপির ২৮৬ নেতা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ১১৮ নেতা রাজনীতির সার্বিক বিষয়াবলি এবং দলের ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছেন এমন হাফ-ডজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে আগামী নির্বাচনে বিএনপির কৌশল ও করণীয় সম্পর্কে।

নেতারা জানান, সরকার বিএনপির দাবি কেন মানবে, যদি মানতে বাধ্য করানো না যায়। তাহলে সরকার তার সাজানো পথেই হেঁটে যাবে। এখন দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফেরত নিয়ে আসতে হলে বিএনপিকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে রাজপথে নামতে হবে। বিএনপির দাবির সঙ্গে একমত এমন দলগুলোও চায় বিএনপি তাদের শক্তি প্রদর্শন করুক। কারণ বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশের অধিকাংশ দল বিএনপিকে সঙ্গ দিয়ে গেছে। এখন বিএনপি যদি তাদের শক্তিমত্তা না দেখাতে পারে তাহলে অন্য দলগুলো কেন রাজপথে ঝুঁকি নিতে যাবে। তাই যা করার রাজপথে বিএনপিকেই করতে হবে। নেতাদের মতে, এবার যদি বিএনপি নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে ভুল করে তাহলে ৮৬ মার্কা আরেকটি নির্বাচন বিএনপিকে বসে বসে দেখতে হবে। তাই অন্য কারোর ওপর ভরসা করে বা বিদেশিরা ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে এমন চিন্তা অবশ্যই আমাদের বাদ দিতে হবে। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ‘আমাদের ভাগ্য আমাদেরই গড়তে হবে। আমাদের কাজ অন্য কেউ করে দেবে না। নেতাদের বক্তব্যে এমন বিষয় উঠে আসে। তা ছাড়া শক্তিশালী সংগঠন গড়ে রাজপথে থাকতে না পারলে শরিকরাও আর সঙ্গ দেবে না। তাই বিএনপিকে তার করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে প্রায় সব নেতার মুখেই একই বক্তব্য উঠে আসে। রাজপথই জাতির গণতন্ত্রহীন এ গভীর সমস্যা থেকে উতরাতে সাহায্য করবে।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের সঙ্গে তিন দিনের সিরিজ বৈঠকের পর চাঙা বিএনপি নেতারা। শিগগিরই কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পেশাজীবীদের সঙ্গেও সভা করবে হাইকমান্ড। এরপর সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রয়েছে দলটির। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দাবিতে হবে এই সমাবেশগুলো।

এ ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিন দিনের ধারাবাহিক বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কী করণীয় এবং সংগঠনের অবস্থা কেমন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা আরো কিছু সভা করব। বিশেষ করে দলের নির্বাহী কমিটি সদস্য ও জেলা নেতাদের নিয়েও সভা করব, তাদের মতামত শুনব। পেশাজীবীদের সঙ্গেও আলোচনা করার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা, গণতন্ত্রের নেত্রী খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করা এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা দলীয় নেতাদের মতামত নিচ্ছি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের মতামত নেব। সবার মতামত নিয়ে আমরা সামনে পথ চলতে চাই। এটাও ঠিক, আমাদের দাবিগুলো সরকার স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেবে না। এ ক্ষেত্রে আন্দোলনের বিকল্প নেই। আমরা আন্দোলনেই আছি। সময়মতো আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দেব।

জানা যায়, সমাবেশ কর্মসূচির বিষয়ে সিরিজ বৈঠকে কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের কাছ থেকে দুই ধরনের মতামত পেয়েছে দলীয় হাইকমান্ড। অনেকে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করার কথা বলেছেন, আবার কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে এই কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দিয়েছেন। সমাবেশের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে হাইকমান্ড। কর্মসূচির ব্যাপারে সভায় বিএনপি হাইকমান্ড বলে, সমাবেশ কর্মসূচি দেওয়ার বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। তবে বিভাগীয় পর্যায়ে না জেলা শহরে হবে, তা স্থায়ী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় জলবায়ুবিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ‘এবার কর্মসূচি ঘোষণা হলে তা সফল হওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। এখন সব পর্যায়ের নেতাকর্মী মনে করছেন আর পিছু হটার সুযোগ নেই। আমাদের আর ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। সামনে যে কর্মসূচি আসবে তাতে সব পর্যায়ের নেতাকর্মী যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সাহস নিয়ে, অনেক বেশি কমিটমেন্ট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এই প্রতিবেদককে বলেন, ধারাবাহিক সভাগুলোতে বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে কী ভাবছি, তা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাদের কাছ থেকে শুনেছেন। আসলে নেতা হিসেবে কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্বশীল পদে থাকার কারণে আমাদের ওপর যে দায়িত্বটা বর্তায় তা পালনে আমরা নানা সময়ে কমবেশি সীমাবদ্ধতার পরিচয় দিয়েছি। যখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সামনে কথা বলার সুযোগ পাই, তিনি যখন আমাদের উদ্দেশে বলেন, তখন সবাই উজ্জীবিত, অনুপ্রাণিত ও সাহসী হই। আমাদের দায়িত্ববোধটাও বেড়ে যায়। আমরা নিজেরাও আমাদের ভুলত্রুটি, সীমাবদ্ধতা সেগুলো সংশোধন করে আরো বেশি করে দায়িত্ব পালন করার ব্যাপারে মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত নিই, প্রস্তুতি গ্রহণ করি। সভার পর নেতারা অনেক উজ্জীবিত হয়েছেন, যা সামনে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করবেন তারা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, সিরিজ বৈঠকে নির্বাচন সামনে রেখে দলের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকজন নেতা কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে বিএনপির হাইকমান্ড বলে, ‘আমেরিকাসহ অধিকাংশ দেশ বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চায়। গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাও বিভিন্ন সময় বিবৃতি দিয়েছে। বহির্বিশ্বের শক্তিগুলো কাউকে ক্ষমতায় বসাবে না। দেশের ভেতরে যদি আপনারা (দলীয় নেতাকর্মী) বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন বহির্বিশ্বের শক্তিগুলোকে তখন স্বাভাবিকভাবেই পাশে পাওয়া যাবে।’

পিডিএসও/ইউসুফ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
রাজনীতি,আওয়ামী লীগ,বিএনপি,লড়াইয়ের মাঠ
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close