ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

  ০৮ মার্চ, ২০২১

জোড়া খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জগন্নাথপুরের জোড়া খুনের মামলায় অবশেষে জেলে গেলেন ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা। সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক মোহাম্মদ শফিউল আজম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মাসুদ রানা নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তার ভাই এম. এ. হালিম নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

জেলা আদালত পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. দিদারুল আলম জানান, ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা জোড়া খুনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ১লা মার্চ নবীনগর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন সাবেক বিজিবি সদস্য ইয়াছিন মিয়া ও তার ভায়েরা ভাই এনামুল হক। তারা দুইজনই উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মোটসরাইকেল নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে সাতমোড়া ইউপির চেয়ারম্যান মাসুদ রানা ও তার সহযোগীরা ইয়াছিন এবং এনামুলকে খুন করেন বলে নিহতদের স্বজনরা অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ‘গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত’ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা। তখন নবীনগর থানা পুলিশও হত্যা মামলা নিতে চায়নি। এরপর এনামুল হকের স্ত্রী তাসলিমা বেগম ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্তের পর সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানাসহ ২৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও এতোদিন  নবীনগর থানা পুলিশ মাসুদ রানাসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তার করেনি। 

পিডিএসও/এসএম শামীম

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জোড়া খুন মামলা,ইউপি চেয়ারম্যান,কারাগারে
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close