নিজস্ব প্রতিবেদক

  ৩০ নভেম্বর, ২০২১

শতবর্ষপূর্তি উদযাপন করবে ঢাবি

‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবছর পূর্তি উদ্যাপন করা হবে। আগামীকাল বুধবার ঢাবির শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ। গতকাল ঢাবি প্রশাসন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মহামারি করোনার কারণে গত বছর শতবর্ষপূর্তিতে সশরীরে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এবার বর্ষপূর্তিতে নানা আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার

আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হবে বর্ষপূর্তি। যেখানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে দেশের খ্যাতিমান ব্যক্তিরা বক্তব্য দেবেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতবর্ষের তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও শতবর্ষের ‘থিম সং’ পরিবেশন করা হবে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত বই, ফটোগ্রাফি অ্যালবাম ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন করবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশেনের সভাপতি এ কে আজাদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) ও শতবর্ষ উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল স্বাগত বক্তব্য দেবেন। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরকে বিশেষ স্যুভেনির দেবেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ওই দিন বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আলোচনা সভা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় খ্যাতিমান শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

উৎসবের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দিনও (২ ডিসেম্বর, ৩ ডিসেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিকাল ৪টায় আলোচনা সভা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় খ্যাতিমান শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খ্যাতিমান শিল্পীদের ‘কনসার্ট’ পরিবেশনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের সমাপ্তি হবে।

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল প্রতিষ্ঠিত হয়। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মাননিয়ন্ত্রিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে স্বীকৃতি পায়। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে অবদান রেখে চলছে। সেই সঙ্গে অবদান রাখছে শিক্ষা ও গবেষণায়।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close