ব্রেকিং নিউজ

দোহারে ফের খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৫৮

তানজিম ইসলাম, দোহার (ঢাকা)

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের খাল দখল করে পুনরায় বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া এলাকায় খাল দখল করে বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৩ মে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদে “দোহারে খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ, হুমকিতে কলেজের বহুতল ভবন” শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে দোহার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। এরই প্রেক্ষিতে ৮ই জুন দোহার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া এলাকায় সাহেবখালী খাল দখল করে নির্মাণাধীন ঐ বাড়ি ভেঙে দেন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পাশ্ববর্তী খালের এক পাড় অবৈধভাবে দখল করে ভবন নির্মাণ করেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। ফলে খালটি সংক্রচিত হয়ে পানি প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ির নেম প্লেটে দেখা যায়, করদাতা হিসেবে উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়ার জনি শিকদারের নাম রয়েছে। কিন্ত জনি শিকদারের দাবি ভবনটি তিনি নির্মাণ করেনি। শাহিন শিকদার ভবনটি নির্মাণ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, এরআগে ২০১৮ সালের জুন মাসে ভবনটি ভেঙে দিয়েছিল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তবে কিছুদিন পর আবারো ভবনটি সংস্কার করেন বাড়ির মালিক। এরপর আর ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত দখলকারী শাহীন বলেন, বাড়িটি মালিক জনি শিকদার। আমরা থাকি। তবে ভবন নিজস্ব জমিতে করা হয়েছে। সরকারি খাল দখল করেনি। এসময় তিনি স্থানীয় এক সাংবাদিকের সাথে এব্যাপারে কথা বলতে বলেন।

এব্যাপারে জনি শিকদার বলেন, সরকারি জায়গায় ভবনটি শাহিন শিকদার কিভাবে নির্মাণ করেছে তা আমার জানা নেই। আমি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভবনের নেম প্লেটে তার নাম দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে জনি শিকদার বলেন, ওরা কেন নাম দিয়েছে ওরাই বলতে পারবে। তবে সেখানে একসময় আমাদের জমি ছিল যা বর্তমান খাস হয়ে গেছে। সেই জন্যও নাম দিতে পারে। কিন্ত ভবনটি আমি নির্মাণ করেনি।

দোহার পৌর প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, ভবনটি সরকারি খালের উপর করা হয়েছিল। যার কারনে এরআগে আমরা ভেঙে দিয়েছিলাম। খাস জমির উপর ভবন নির্মাণের সাথে হোল্ডিং ট্যাক্সের কোন সম্পর্ক নেই।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি ভূমি অফিসকে নির্দেশনা দিব যদি এটি খালের মধ্যে হয় তাহলে অতি দ্রুত এটি উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিব।

পিডিএসও/এসএম শামীম