ক্রীড়া প্রতিবেদক

  ২৩ এপ্রিল, ২০২৪

অপ্রতিরোধ্য আবাহনী টানা ১২-তে ১২ জয়

শিরোপার দৌড়ে আরো এক কদম এগিয়ে গেল আবাহনী লিমিটেড। সুপার লিগে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল। গ্রুপ পর্বের ১১ ম্যাচসহ সুপার লিগের এ ম্যাচ দিয়ে টানা ১২ ম্যাচ জিতল আবাহনী।

এদিকে বিকেএসপিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগের প্রথম রাউন্ডে বোলাররা বাজিমাত করেছেন। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব ও গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের ম্যাচে বোলারদের ছন্দময় পারফরম্যান্সে দিশাহারা ব্যাটসম্যান। আগে ব্যাটিং করতে নেমে শাইনপুকুর মাত্র ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায়। ওই রান তাড়া করতে গিয়ে গাজী গ্রুপ ১২৫ রানের বেশি করতে পারেনি। ১৩ রানের জয়ে সুপার লিগ দারুণভাবে শুরু করল টেবিলের দুই নম্বরে থাকা শাইনপুকুর।

এদিন জয়ের জন্য আবাহনীকে ১৭৯ রানের লক্ষ ছুঁড়ে দেয় প্রাইম ব্যাংক। লক্ষ তাড়ায় শুরুটা ভালোই করেন আবাহনীর দুই ওপেনার লিটন দাস ও এনামুল হক বিজয়। তাদের ব্যাটে পাওয়ার প্লে পার করার চেষ্টায় ছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলীয় ৩৫ রানে অবশ্য ৩২ বলে ২২ রান করা বিজয়কে বিদায় করেন সানজামুল। সঙ্গী হারালেও তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন লিটন। এ জুটিতে দলীয় ১০০-এর পথে হাঁটতে থাকে দলটি। ২৭ বলে ২২ রান করা শান্ত দলীয় ৮৭ রানে ফিরে যান শেখ মেহেদিকে উইকেট দিয়ে। এরপর চারে নামা আফিফ হোসেন ফিরে যান দলীয় ৯৭ রানে। তবে ৫ নম্বরে নেমে তৌহিদ হৃদয় ও লিটন মিলে আবাহনীকে জয়ের পথে নিতে থাকেন। লিটনকে দর্শক বানিয়ে ছক্কা-চারের মিশেলে হৃদয় ঝড় তুলেন প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর।

২৩ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। লিটনও ছুঁয়ে ফেলেন হাফ সেঞ্চুরি। তবে ২৭ বলে ৫৫ রান করে হৃদয় বিদায় নেনে নাজমুল হোসেন অপুকে উইকেট দিয়ে। ৫ ছক্কা ও ৪ চারে হৃদয় করেন ২৭ বলে ৫৫ রান। এরপর জাকের আলী অনিককে নিয়ে আবাহনীকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যেতে থাকেন লিটন। তবে জয়ের কাছে গিয়ে বাড়তি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে সানজামুলকে উইকেট ছুঁড়ে দেন জাকের। তানভীর ইসলামকে নিয়ে এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি লিটন। ৫ উইকেটে জিতে চলতি আসরে টানা ১২তম জয় তুলে নেয় আবাহনী। ৩৮.৩ বলে জয়ের বন্দরে পৌছায় আবাহনী। লিটন অপরাজিত থাকেন ১০৬ বলে ৫৬ রান করে। আগে ব্যাটিং করে শুরুটা একদমই ভালো করতে পারেনি প্রাইম ব্যাংক। তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে দলীয় ৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে প্রাইম ব্যাংক। ১০ বলে ১ রান করেন তামিম। ০ রানে আউট হন পারভেজ হোসেন ও শাহাদাৎ হোসেন দিপু করেন ৪ রান। ৫ রানে ৩ উইকেট হারানো প্রাইম ব্যাংকের হয়ে হাল ধরেন জাকির হাসান ও মুশফিকুর রহিম। এ জুটিতে ধাক্কা সামাল দিয়ে ১০০-এর পথে হাঁটতে থাকে প্রাইম ব্যাংক। তবে দলকে ১০০ পার করিয়ে ১১৭ রানে ৪৪ রান করা মুশফিক ফিরে যান তানভীর ইসলামকে উইকেট দিয়ে। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিলেও সঙ্গী হারিয়ে জাকিরও টিকতে পারেননি ক্রিজে। সাইফউদ্দিনকে উইকেট দিয়ে বাঁহাতি এ ব্যাটার বিদায় নেন ৭০ বলে ৬৮ রানে। এরপর মোহাম্মদ মিঠুন ও শেখ মেহেদি দ্রুত বিদায় নিলে ১৫০-এর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে প্রাইম ব্যাংকের। সেখান থেকে হাসান মাহমুদের চেষ্টায় দলীয় ১৫০ পার করে প্রাইম ব্যাংক। তবে ৩৯.৩ ওভারেই ১৭৮ রানে প্রতিপক্ষকে থামিয়ে দেয় আবাহনীর বোলাররা। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন শরিফুল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন, মোসাদ্দেক ও তানভীর।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close