ফেসবুকে অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগে নারীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:১৪

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সদরের লালবাগ বড় মসজিদ রোড এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম জীবনের স্ত্রী সিলভি আহমেদ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ জুলাই আমার প্রতিষ্ঠানের মডেল ফাল্গুনি ইসলামকে সাজিয়ে ফটোগ্রাফার শাহরিয়ার আহম্মেদকে দিয়ে ছবি তুলে তা এডিট করে আমার ফেসবুক SILVI MOON পেইজে আপলড করি।

পরে আমার অযান্তে আমার মডেলের ছবিসহ আজেবাজে অশ্লীল মন্তব্য লিখে ফেইসবুক পেজ MORTOZA MISTYI তে আপলড করা হয়। যা আমার ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্ধি হ্যাভেন লিটান্স বিউটি পার্লারের মালিক সাদিয়া খান SADIA KHAN নামের ফেইসবুক আইটি থেকে GIRL S OF HEVEN গ্রুপের এডমিন মারফত আপলোডকৃত ছবি ও আপত্তিকর মন্তব্য গুলো গ্রুপে এপ্রুভ করে আমাকে ও আমার মডেলকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও মান সন্মানহানিসহ আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করেছে।

এব্যাপারে আমি ২২ জুলাই ২০২০ সামাজিক যোগাযোগা মাধ্যম ফেসবুক লাইভ এসে প্রকৃত ঘটনা খুলে বলি এবং প্রতিবাদ জানাই। অথচ পুলিশকে এই ঘটনার অপব্যাখ্যা বুঝিয়ে ওরা আমাকে পুলিশের মাধ্যমে থানায় ডেকে নিয়ে ওসি‘র রুমে এসআই নুর আলম, হ্যাভেন লিটান্স বিউটি পার্লারের মালিক সাদিয়া খানের স্বামী গোলাপ হোসেন আমাকে চরম অপমান অপদস্ত করে এবং আবারও আমাকে লাইভে এসে ক্ষমা চাইতে বলে।

গোলাপ হোসেন তার GOLAP HOSSAIN GOLAP ফেসবুক পেইজে রংপুরের বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম, দিনাজপুরের সাবেক এসপি সৈয়দ আবু সায়েমের সাথে তার তোলা ছবি পোষ্ট করেছে। যে গুলি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে আমাকে ও সাধারণ মানুষকে নানানভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তাদের কথামত আমি আবারও সামাজিক যোগাযোগ লাইভ এসে দু:খ প্রকাশ করে ক্ষমা চাই।

এরপরও তারা আমার নামে থানায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছে। মামলা করার পর থেকেই তারা এসআই নুর আলমের সাথে আতাত করে তারা অব্যাহতভাবে আমার ও আমার আত্বীয়স্বজনের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির হয়ে আমি জামিন নেই। জামিনে আসার পরে আমি মর্তুজা মিষ্টি, শাহরিয়ার আহম্মেদ ও সাদিয়া খানের নামে মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহণে টালবাহানা শুরু করে থানা পুলিশ, পরে এসপির নির্দেশে ওসি মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।

পরে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই নুর আলমকে, সে মামলা তদন্তে গড়িমশি শুরু করেছে। আমার করা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। তারা উল্টো আমার মামলার স্বাক্ষীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি  প্রদর্শন এবং হুমকি ধামকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনসহ সকলের কাছে জুলুম হয়রানি থেকে রক্ষায় তাকে সহায়তা করার দাবি করেছেন।

পিডিএসও/এসএম শামীম