নান্দাইলে জনগুরুত্বপূর্ণ ২টি রাস্তার বেহালদশা, জনদুর্ভোগ চরমে

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৩:৩৮ | আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৩:৪৭

নান্দাইল(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার অতি জনগুরুত্বপূর্ণ নান্দাইল সদর টু দেওয়ানগঞ্জ রাস্তা এবং মুশুল্লী চৌরাস্তা টু কালিগঞ্জ বাজার রাস্তার বেহালদশা দেখা দিয়েছে। যার ফলে জনদূর্ভোগ চরমে অর্থাৎ সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উক্ত রাস্তা দু'টিতে চলাচলকারী জনসাধারণকে। এ যেন দেখার কেউ নেই।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা দুটির বিভিন্ন জায়গায় পিচ, ইট-পাথর উঠে গিয়ে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বড় গর্তের ফলে সড়কটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। উক্ত রাস্তা দিয়ে দূর্ভোগের সাথে প্রতিদিন সহস্রাধিক বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। আর প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের দূর্ঘটনা। তবে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা রাজগাতী ও মুশুল্লী ইউনিয়নের মানুষের বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। কারন তাদের চলাফেরার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে মুশুল্লী চৌরাস্তা টু কালিগঞ্জের এই ৪ কিলোমিটার রাস্তা। রাস্তাটি সংস্কারের ৬ মাস যেতে না যেতেই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি কোনও মুমূর্ষু বা প্রসূতি রোগীদের উপজেলা সদর হাসপাতালে নিতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের কয়েকজন ব্যক্তি জানান, রাস্তা নির্মাণের বছর যেতে না যেতেই ফের ভেঙে যাওয়া তথা বেহাল দশায় পরিণত হওয়ার একমাত্র কারন হচ্ছে ঠিকাদারের গাফিলতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা।

অপরদিকে নান্দাইল সদর হতে দেওয়ানগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ১৭ কি.মি দৈর্ঘ্যরে রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় দেবে গিয়ে উঁচু-নিচু ও ছোট-বড় অগণিত খানাখন্দে ভরে গেছে। এই রাস্তাটিও নির্মাণের ২/৩ বছর যেতে না যেতেই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষের নেই কোন উদ্যোগ। তবে উক্ত রাস্তাগুলোতে চলাচলকারী কিছু যানবাহন চালক তাদের নিজেদের কথা চিন্তা করে রাস্তার দু/একটি গর্তে কিছু রাবিশ বা ইটের টুকরা ফেলে চলাচলের অস্থায়ী উপযোগী করে তুললেও আবার দু-তিন দিনেই উঠে গিয়ে ফের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

সদ্য যোগদানকারী নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার জানান, তিনি এখনো উপজেলার রাস্তাঘাট সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেন না।

তবে নান্দাইল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী রশিদুল হাসান বলেন, মুশুলী-কালিগঞ্জ সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বাজেট পাশ হলেই রাস্তাটি সংস্কার সহ দুই পাশ বড় করা হবে। এছাড়া রাস্তাগুলো অতিবৃষ্টিপাত ও ভারী যানবাহন চলাচলের কারনে দেবে ও ভেঙে যাচ্ছে। গ্রামীণ রাস্তায় ভারী যানচলাচলে সর্তক হতে হবে।