অনলাইন ডেস্ক
  ২৭ নভেম্বর, ২০২০

এপিটাফ

নাহিদা আশরাফী

হৃদকাননে বেলি আর বকুলের ঝরে পড়ার জন্য কোনো সবুজ ঘাসের বন্দোবস্ত করতে পারিনি। গন্ধরাজকে বলতে পারিনি এ বাগান তোমার। তুমি নিশ্চিন্ত ফুটতে পারো। পদ্মের জন্য দিতে পারিনি কোনো দিঘি। হাসনাহেনাকে উপহার দেব; এমন রুহানি রাত কিনবার ক্ষমতাও আমার হয়নি কোনোকালে। হাঁসেরা অবাধ ডুবসাঁতার দিতে পারে, এমন রোদছায়া খেলা করা কোনো পুকুর নেই আমার। সোনালু আর জারুল চেয়েছিল জলের পাটি পেতে গল্প করবে। দূরে মিহি সুরে বাজবে কোকিলের এস্রাজ। এত দামি দুপুর কোথায় পাব আমি?

 

------
ক্ষমা করো শিউলি, পদ্ম, জারুল, সোনালু। ক্ষমা করো গন্ধরাজ, হাসনাহেনা। ক্ষমা করো রুহানি রাত, ঘুমমাখা দুপুর, শ্যামল দিঘির শেওলা ঘাট।

 

এতসব ব্যর্থতার দায়! তবু স্বার্থপরের মতো ভাবি, কোনো এক অগ্রহায়ণের সকালে শিশির-মাখা অযুত শিউলি ঝরে পড়ে থাকবে তোমাদের এই শ্যাম প্রেমিকের কবরে। জানো তো, হেমন্তে কবরের উপরকার ঘাস সব সময়ই খুব সবুজ থাকে।

 

 

 

"

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়