নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১৫ অক্টোবর, ২০২১

১০০৭ ইউপি, ১০ পৌরসভায় ভোট ২৮ নভেম্বর

দেশের ৬১ জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ ১ হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) এবং ১০টি পৌরসভার নির্বাচন আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮টি তফসিল দিয়েছিল কমিশন যার ভোট আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সহস্রাধিক ইউপির মধ্যে ৩১টিতে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) এবং সব পৌরসভায় এই যন্ত্রের সহায়ত ভোট হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ৮৭তম কমিশন সভায় অনুমোদনের পর তৃতীয় ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। এর আগে সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশন সভা হয়। নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, এনআইডি ডিজি এ কে এম হুমায়ুন কবীর, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান ও জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দুটি তফসিলের (ইউপি ও পৌর) মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও প্রত্যাহার একই সময় নির্ধারণ করেছে কমিশন। ঘোষিত তফসিলে আগামী ২ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৪ নভেম্বর ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ১১ নভেম্বর। ভোট গ্রহণ হবে ২৮ নভেম্বর।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, পাবলিক পরীক্ষা-এসএসসি ও এইচএসসির সময়সূচি বিবেচনায় নিয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছি। সেক্ষেত্রে কোনও ধরনের সমস্যা হবে না বলে মনে করি। আগামী ২৪ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ২৮ নভেম্বর ভোটে কোনো সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, এই ভোটের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়র সঙ্গে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি। তবে আমরা মনে করি, ২৮ নভেম্বর ভোট অনুষ্ঠানে কোনো সমস্যা হবে না।

নির্বাচনের তারিখের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পরীক্ষার সময় সমন্বয় করে নেবে। ভোটের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়। শিক্ষকদেরও অনেকে ভোটের দায়িত্বে থাকেন। এর আগে, প্রথম ধাপে ২১ জুন ২০৪ ইউপি ও ২০ সেপ্টেম্বর ১৬০ ইউপির ভোট হয়। দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউপির ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ নভেম্বর। তৃৃতীয় ধাপে হাজারেরও বেশি ইউপির ভোট হবে। চলতি বছরের মধ্যেই ইউপি নির্বাচন শেষ করা হবে উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, দেশের ৩ হাজার ৭০০-এর মতো ইউপি নির্বাচনের উপযোগী রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৬৪টির ভোট হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮টির তফসিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার তফসিল হলো ১ হাজার ৭টির। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যগুলোর তফসিল হবে। তবে কতটি ধাপে ভোট শেষ করা হবে সেটি এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।

ইসির সভায় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা জানান, একটি নির্বাচন সম্পন্নের পর ব্যবহৃত ইভিএম কাস্টমাইজ করতে ন্যূনতম ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগে। এ বিবেচনায় পরবর্তী চতুর্থ ধাপের ইউপির ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close