কুয়েত প্রতিনিধি

  ১২ জানুয়ারি, ২০২১

কুয়েতে কৃষি খাতে বাংলাদেশিদের চাহিদা ও সুনাম

কুয়েতের অর্থনীতি হচ্ছে পেট্রোলিয়ামভিত্তিক অর্থনীতি। কুয়েতি দিনার বিশ্বের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যবান একক। বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে কুয়েত বিশ্বের চতুর্থ ধনী দেশ।

দেশটির মোট আয়তন ১৭ হাজার ৮২০ বর্গকিলোমিটার। সৌদি ও ইরাক বর্ডার ঘেঁষে অফরা, আবদালি ও জাহারা অঞ্চলজুড়ে বিশাল বিস্তৃত মরু অঞ্চল।

সবুজ শাকসবজি ও ফলমূলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাহিরের দেশ হতে আমদানি করতে হয় তাদের। প্রত্যেক বাজেটে কৃষি খাতে উৎপাদন ও উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার দেয়া হয়। অসংখ্য বাংলাদেশি দেশটির অফরা, আবদালি ও জাহারা অঞ্চলে কৃষিকাজে কর্মরত। বাংলাদেশিদের হাতের ছোঁয়ায় কুয়েতের মরু অঞ্চল আজ সবুজের সমারোহ।

বাংলাদেশিরা ধৈর্য, মেধা, পরিশ্রম দিয়ে দেশি-বিদেশি নানাজাতের শাকসবজি ও ফল-মূল ফলায়। এখান হতে উৎপাদিত ফসল কুয়েত সেন্ট্রাল সবজি মার্কেটে ও সুপার শপগুলোতে বিক্রি করা হয়। অনেক বাংলাদেশি স্থানীয় কুয়েতিদের থেকে মাজরাগুলো ইজারা নিয়ে শ্রমিক দিয়ে কাজ করান।

মাজরায় কৃষিকাজে জড়িত এক বাংলাদেশি শ্রমিক মোহাম্মদ নাসির বলেন, আমরা এখানে টমেটো, বেগুন, লাল শাক, ধনিয়া, মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পুদিনা পাতা, কলমি শাক, কুমড়াসহ নানা জাতের দেশি-বিদেশি শাক ও সবজির চাষাবাদ করি। যারা দৈনিক হিসেবে কাজ করেন তাদের ৮ দিনার থেকে ১০ দিনার হাজিরা। আমরা যারা কোম্পানির ভিসার লোক তাদের বেতন শুরু ৮০ দিনার থেকে ১৫০ দিনার পর্যন্ত। থাকা খাওয়া মালিক বহন করে। সব কিছু মিলিয়ে কোনোরকমে চলে যায় সংসার।

শীতের মৌসুমে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কুয়েতিরা প্রতি সপ্তাহে পরিবার বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে আসে। এছাড়া বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও ঘুরতে আসেন; তারা ঘুরে বেড়ান এক মাজরা থেকে আরেক মাজরায়।

পিডিএসও/ জিজাক

কৃষি খাত,কুয়েত
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়