প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০

শিশুরা সারাক্ষণ ফোনে, তবু নেই সমস্যা!

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ জীবনযাত্রার ধরনই বদলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির শিকার ঘরের ছোটো সদস্যরাও। পুরো বছরটাই প্রায় ভার্চুয়াল ক্লাস আর ইনডোর গেমে কেটে গেল তাদের। আর এই সূত্রে টেক-গেজেটসের সঙ্গেও তাদের সখ্য বেড়েছে। মোবাইল ফোন, ভিডিও গেম বা ল্যাপটপ-ডেস্কটপের স্ক্রিনেই অধিকাংশ সময় কাটছে তাদের, যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় বাবা-মায়েরা। তবে অধিক চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ ছেলে-মেয়েদের এই আকর্ষণ দীর্ঘস্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে এটিও বদলে যাবে। সম্প্রতি এমনই জানাচ্ছে এক সমীক্ষা।

ইন্টারনেটের যুগে ডিজিটাল টেকনোলজি কীভাবে আবর্তিত হচ্ছে, তা জানতেই বিশদে নানা তথ্যের মূল্যায়ন করা হয়েছে এই সমীক্ষায়। স্বভাবতই এই প্যানডেমিকের সময় তথ্য সংগ্রহ করার পর দেখা যায়, টেক গেজেটের ব্যবহার বেড়েছে। বেড়েছে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। স্কুল, কলেজ, টিউশন, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা সব বন্ধ হওয়ার জেরে আপাতত ভার্চুয়াল দুনিয়াতেই ছেলেমেয়েদের বছর কেটেছে। এ ক্ষেত্রে অনেকেই ছেলেমেয়েদের জন্য একটা টাইম লিমিট বেঁধে দেন। অনেকে খুব বকাবকি করেন। ফোন কেড়ে নেন। কিন্তু প্যানডেমিকে শিশু থেকে শুরু করে যুবকদের এই টেক অ্যাডিকশনের মধ্যেও একটা আশার আলো দেখাচ্ছে এই সমীক্ষা।

------
গবেষকদের দাবি, বাবা-মায়েরা যতটা চিন্তায় রয়েছেন বা যতটা গভীরে ভাবছেন, ততটাও খারাপ প্রভাব পড়েনি তাদের ছেলেমেয়েদের ওপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় ভিত্তিহীন।

সমীক্ষাজুড়ে দেখানো হয়েছে, কীভাবে অ্যামেরিকার যুবকদের ওপর প্রভাব ফেলেছে মোবাইল ইন্টারনেটের রমরমা। এক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩০ বছরের যুবকদের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের সার্ভে ডেটার ওপর চলেছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ইনস্টিটিউট অব বিহেভিয়ারল সায়েন্সের সোসিওলজির অধ্যাপক স্টিফ্যানি মলবর্নের কথায়, প্রযুক্তির উদ্ভাবনের পাশাপাশি প্রযুক্তির স্বাদ পরিবর্তনও জারি রয়েছে। তাই বাবা-মায়েদের অধিক চিন্তা করে লাভ নেই। কারণ কোনো কিছুর প্রতিই গুরুতরভাবে আকৃষ্ট হওয়ার তেমন শঙ্কা নেই। এই অ্যাডিকশন বা বিশেষ টেকনোলজির প্রতি আকর্ষণও একসময় বদলে যাবে। আর এদিক থেকেই বাবা-মায়েদের স্বস্তি দিতে পারে পুরো বিষয়টি।

 

 

"

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়