reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ২৪ নভেম্বর, ২০২২

উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রা : যা জানতে হবে

উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু সম্প্রতি দেশে উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রার হার বিগত সময়ের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সংখ্যায় বৃদ্ধি পেলেও প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। জনসংখ্যায় বাংলাদেশের পাঁচ ভাগের এক ভাগেরও কম হওয়া সত্ত্বেও নেপাল থেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশের প্রায় কয়েকগুণ।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য বিষয়ে ‘গ্লোবাল ফ্লো অব টারশিয়ারি লেভেল স্টুডেন্টস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি ভূটানের শিক্ষার্থীদের। এরপর রয়েছে যথাক্রমে মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত এবং সবশেষে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে সংখ্যা বিবেচনায় এগিয়ে ভারত।

প্রতিবেদন থেকে আরো জানা যায়, উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশীদের শীর্ষ গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও মালোয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানী, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন, ভারত, কোরিয়া, সৌদি আরব সহ আরো বেশ কিছু দেশ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

দেশে বেকার সমস্যা সমাধানে উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রা হতে পারে একটি সুন্দর সমাধান। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের বিদেশ যাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য বিদেশে পাড়ি জমাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিক্ষার্থীদের জানা আবশ্যক। এতে অনেক প্রবাশে অপ্রিতিকর অনেক সমস্যা হতে রেহাই পাওয়া যায়।

উচ্চশিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়তে করণীয় বিষয়ে আগ্রহীদের পরামর্শ দিয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিতে স্নাতক ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি গবেষণারত জুনায়েদ আহমদ। এ বিষয়ে তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ জাহিদ হাসান।

উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রা ও গ্লোবাল ক্যারিয়ার বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?

আমার কাছে মনে হয় উচ্চ শিক্ষা আর গ্লোবাল ক্যারিয়ার বিষয়টা আলাদা। আপনার যদি স্কিল থাকে, আপনি দেশে পড়াশুনা করেও যেকোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ পেতে পারেন। সমস্যা হলো আমাদের দেশের পড়াশুনা এখনো মুখস্থ নির্ভর। এখানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট তেমন গুরুত্ব পায় না। অনেক জায়গায় এখনো ভালো ল্যাব নেই, শেখার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। এক্ষেত্রে বিদেশে ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করলে আপনার জন্য এরকম কাজ পাওয়া অনেকটা সহজ হবে। আপনি সত্যিকার অর্থে নিজেকে গ্লোবাল নাগরিক ভাবার সুযোগ পাবেন।

দেশের প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশ যাত্রা কিভাবে দেখছেন?

বিদেশে পড়তে যাব এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা অনেক কঠিন। বিশেষ করে আমাদের দেশে একটি স্বাভাবিক ট্রেন্ড হলো স্নাতক শেষ হওয়ার পরেই সবাই হুমড়ি খেয়ে চাকরির জন্য পড়া শুরু করে। সেখানে নিজেকে একটু আলাদা ভাবে ভাবা, আলাদা পথে হাঁটতে চাওয়া, স্রোতের বাইরে বের হয়ে আসতে চাওয়ার সংখ্যাটি খুব নাজুক। বিষয়টি বাইর থেকে দেখতে সহজ মনে হলেও বাস্তবে অনেক কঠিন। তবে যারা শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আমার কাছে তাদেরকে অনেক সাহসী মনে হয়। এই পথে পরিশ্রমের পাশাপাশি প্রচন্ড ধৈর্য্য ধারণ করতে হয় এবং সে পরিক্ষায় পাসও করতে হয়।

উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের অনেকেই ফান্ড নিয়ে জানতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যে কি বলবেন?

বিদেশে উচ্চ শিক্ষা মূলত তিন ধরনের হয়। প্রথমত, সেলফ ফান্ড। সেক্ষেত্রে টিউশন ফি-র পুরোটায় দিতে হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল একটা ব্যাপার। দ্বিতীয়টি, স্কলারশিপ। যেখানে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান আপনাকে মাস শেষে টাকা দিবে। আপনি শুধু পড়াশুনা করবেন। তৃতীয়টি হলো রিসার্চ/টিচিং এসিস্ট্যান্টশিপ। যেখানে আপনি পড়াশুনার পাশাপাশি কোনো প্রফেসরের সঙ্গে কাজ করবেন এবং ভালো বেতনও পাবেন। এক্ষেত্রে সাধারণত টিউশন ফি মকুফ করে দেওয়া হয় এবং বেতন দিয়ে অন্যান্য খরচ বহন করা যায় নিমিষেই।

বিশ্বায়নের এই যুগে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দেশেই ক্যারিয়ার গড়া সুবিধাজনক নাকি বিদেশমুখি হওয়া সুবিধা জনক?

দুটিরই সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। দেশে একটি সরকারি চাকরির জন্য আপনি যে পরিমাণ পরিশ্রম করবেন, বিদেশে একটি স্কলারশিপ মেনেজ করতে হলেও আপনাকে প্রায় কাছাকাছি পর্যায়ের পরিশ্রম করতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর ধৈর্য্য থাকতে হবে। বিদেশ আসলেও আপনাকে কাজ করতে হবে। অফিসিয়ালি ক্যারিয়ার শুরু করার আগে ২-৫ বছর পড়াশুনা করতে হবে। পরিবার ছাড়া থাকতে হবে। যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে আমার মনে হয়। তবে সব কিছু মিলিয়ে দেশের চাকরির বাজার চিন্তা করলে আমার কাছে বিদেশ মুখি হওয়াটাই ভালো অপশন মনে হয়।

দেশে চাকরির পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে প্রথমে কোন বিষয়টিতে ফোকাস করা প্রয়োজন?

এক্ষেত্রে পরামর্শ হলো, নিজের পড়াশুনাটা ভালো ভাবে করতে হবে। যতটা শেখার সুযোগ আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে, বিশেষ করে ল্যাব টেকনিকস, বিভিন্ন সফটওয়্যারের ব্যবহার শিখতে হবে। ইংরেজির দক্ষতা বাড়াতে হবে। এরপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল যাদের ফাইনাল ইয়ারে থিসিস আছে তাদের একজন ভালো শিক্ষকের সঙ্গে কাজ করা, যাতে কাজটা ভালো কোন জার্নালে পাবলিশ করা যায়। কারো যদি একটি ভালো রিসার্চ আর্টিকেল থাকে, তবে সে উচ্চশিক্ষার প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে থাকে। এছাড়াও যাদের থিসিস নেই, তারাও চেষ্টা করলে যেকোনো শিক্ষকের সঙ্গে গবেষণায় যুক্ত হতে পারে।

আইইএলটিএস ছাড়াও বিদেশে পড়তে যাওয়া সম্ভব কিনা ব্যাপারে কিছু বলুন।

প্রতিবছর ইউরোপ-আমেরিকাতে পুরো পৃথিবী থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী পড়তে আসে। স্কলারশিপের জন্য আপনাকে সবার সাথেই প্রতিযোগিতা করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি ভালো স্কোর আপনাকে অন্যের চেয়ে অনেক এগিয়ে রাখবে। তবে, আইইএলটিএস ছাড়াও অনেক দেশেই যাওয়ার সুযোগ আছে। কোনো কোনো দেশে শিক্ষা মাধ্যম সনদ দিয়েও কাজ হয়। তবে আপনাকে সেই জায়গাগুলো খুঁজে নিতে হবে। এশিয়ার অনেক ভালো ভালো দেশে কম স্কোর বা ওঊখঞঝ ছাড়াই এডমিশন হওয়া যায়, ইউরোপেও অনেক জায়গাতেই হয়। তাছাড়া, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনাল কিছু টেস্ট থাকে, বা উঁড়ষরহমড় টেস্ট দিয়ে এপ্লাই করা যায়। এগুলো ওঊখঞঝ -এর তুলনায় অনেক সহজ।

উচ্চশিক্ষা বা গ্লোবাল ক্যারিয়ারে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব কতটা?

আমার জানামতে আমাদের দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়েই এখন সহশিক্ষা বিদ্যমান। তবে অনেক স্কুল কলেজে এখনো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র যে বেকগ্রাউন্ড থেকেই আসুক, এক সময় এসব ব্যাপারে সবাই অভ্যস্থ হয়ে যায়। তাই পরে বাইরে আসার পর আর এগুলো নিয়ে সমস্যা হয় না।

দেখুন, কিছু জিনিস আছে কালচারাল। সেটা আপনাকে মেনে নিতে হবে। ইউরোপ আমেরিকা আর আমাদের কালচার আলাদা। তবে আমাদের এটা মনে রাখতে হবে কালচার কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিবর্তিত হয়। এক সময় আমাদের উপমহাদেশে মেয়েদের পড়াশুনারই সুযোগ ছিল না। এখন শিক্ষার মোটামোটি সব সেক্টরেই মেয়েরা অনেক ভালো করছে। সহশিক্ষার ব্যাপারটাও এমন। এক সময় এটা অনেক বিতর্কিত বিষয় ছিল, অনেকের আপত্তি ছিল। কিন্তু সমাজ এখন এসব মেনে নিচ্ছে। এখন এগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা শোন যায় না। সবচেয়ে বড় কথা হলো উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আসলে ছেলে মেয়ে ব্যাপারটা তেমন গুরুত্ব পায় না। আপনি যোগ্য হলে সুযোগ পাবেন। আমরা যারা অন্য কালচারাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসি, তাদেরকে আস্তে আস্তে লোকাল কালচারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হয় এবং এটাই স্বাভাবিক।

ফুল ফ্রি স্কলারশিপের ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা কিভাবে জানতে পারে?

এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের দেশে অনেক পটেনশিয়াল ছাত্র-ছাত্রি আছে যারা উচ্চশিক্ষা বা স্কলারশিপের ক্ষেত্রে অনেক ভালো করতে পারে। শুধুমাত্র সঠিক তথ্যের অভাবে তারা অনেক কিছু মিস করে। আমার মনে হয়েছে, আপনার যদি আগ্রহ থাকে, আপনি যদি খুঁজতে জানেন ইন্টারনেটেই সবকিছু পাওয়া সম্ভব। লিংকডইন, ফেসবুক ইউটিউবে অনেক রিসোর্স আছে। তবে আপনাকে বুঝতে হবে কোনটা অথেন্টিক আর কোনটা নয়। বিভিন্ন জায়গায় অনেক ধরনের ওয়ার্কশপ হয় সেগুলা থেকে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। তাছাড়া পরিচিত কেউ বা ক্যাম্পাসের সিনিয়রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও অনেক সময় বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্নাতক, স্নাতকোত্তর নাকি স্নাতকোত্তর পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষায় মননিবেশ করা উচিত?

আমার কাছে মনে হয় স্নাতক ৩য় বর্ষ থেকেই একজন ছাত্রের ক্যারিয়ার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। দেশে চাকরি করতে চাইলে সেই ভাবে নিজেকে তৈরি করা দরকার। আবার উচ্চশিক্ষায় আসতে চাইলে ওঊখঞঝ, এজঊ সহ অন্যান্য বিষয়ের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা কাজে ভালোভাবে যুক্ত হওয়া উচিত। মাস্টার্স শেষ করে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। তখন হতাশার জালে বন্দি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। আগে আগে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে দেশে ছাত্রাবস্থায়ই বাইরে আসার সুযোগ পাওয়া যায়।

ক্যারিয়ার গড়তে উচ্চশিক্ষায় বিদেশ যাত্রা কতটা আশাব্যাঞ্জক?

আমি দেশে অনেক পরিশ্রমী, মেধাবী মানুষকেই তার যোগ্যতানুযায়ী চাকরি না পেতে দেখেছি। দিনশেষে তারা অনেক হতাশা আর মনকষ্ট নিয়ে জীবন পার করেন। কিন্তু বাইরে আসলে আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাবেন। প্রতিবছর আমাদের দেশ থেকে ৭/৮ হাজার ছাত্রছাত্রী আমেরিকায় পড়তে আসে। এদের খুব কমই দেশে ফিরে যায়। পড়াশোনা শেষে এখানে বেশিরভাগই ভালো চাকরি করে। নিজের উন্নত জীবনযাপনের পাশাপাশি দেশে পরিবারকে অনেক ভালোভাবে সাপোর্ট দেওয়া যায়।

একজন শিক্ষার্থী বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি আনার পর দেশে তার ক্যারিয়ার কি হবে তা নিয়ে অনেকে জানতে চেয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে কি পরামর্শ দেবেন?

বিদেশে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শেষ হতে হতে সরকারি চাকরির বয়স প্রায় শেষ হয়ে যায়। দেশে ফিরলে একাডেমিক ফিল্ড আর বেসরকারী কিছু চাকরি ছাড়া খুব একটা চাকরির সুযোগ থাকে না। আবার একাডেমিক নিয়োগগুলো অনেক জটিল। তবে দেশে ফিরলে সুযোগ একদমই যে নাই এমন বলছিনা। সংখ্যাটা কম হলেও অনেকে কিন্তু দেশে ভালো জায়গায় হ্যান্ডসাম স্যালারিতে চাকরি করছেন।

কিভাবে নিজেকে গড়ে তুললে গ্লোবাল ক্যারিয়ারে সফল হওয়া যাবে?

এক্ষেত্রে আমার পাঁচটি পরামর্শ- প্রথমত, নিজেকে তৈরি করার জন্য সময় দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নিজের কাজকে ভালোবাসতে হবে। তৃতীয়ত, আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। চতুর্থত, আপনার দক্ষতার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। পঞ্চমত, আপনার কাজকে উপভোগ করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের প্রতি আপনার যদি কোন বিশেষ পরামর্শ থাকে।

যাদের একাডেমিক রেজাল্ট খুব ভালো শুধুমাত্র তারাই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়, এই ধারণাটা ভুল। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সামগ্রিক প্রোফাইল বিবেচনা করে। কারোর সিজিপিএ কম থাকতে পারে, কিন্তু সে ভালো গবেষক বা সে ভালো লিডার হতে পারে অথবা কেউ হয়তো ভালো ইংরেজি পারে। যার যেখানে দুর্বলতা আছে, তার অন্যদিকে ভালো করার চেষ্টা করতে হবে। সামগ্রিকভাবে নিজেকে বিচার করুন। সফলতা আসবে।

আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমদিকে ছাত্র-ছাত্রিদের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। প্রথম দিকে অনেকে স্রোতের সঙ্গে গা ভাসিয়ে পরে আর সঠিক ট্র্যাকে ফিরতে পারে না। তাই যা কিছুই হোক নিজের পড়াশোনাটা ঠিকমতো করার চেষ্টা করুন। নিজের মা-বাবাকে নিয়ে প্রাউড ফিল করার সুযোগ দিন। তবে এটাই পৃথিবীতে আপনার সেরা অর্জন হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close