নিজস্ব প্রতিবেদক

  ০৭ জুন, ২০২৪

তুরাগ থানা আ.লীগ নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা 

ছবি : সংগৃহীত

যেকোনো সময় মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণার কথা বলছেন সেখানকার দায়িত্বশীল নেতারা। চলতি সপ্তাহে কমিটি ঘোষণা হবে এমন তথ্য চাওর হয়েছে মাঠ পর্যায়ে। ঘোষণা হচ্ছে নতুন কমিটি, এমন খবর প্রকাশের পরপরই শুরু হয়ে যায় নতুন উদ্দীপনা। বৃহত্তর উত্তরা এলাকার সাতটি থানায় কারা কমিটিতে আসছেন, এমন আলোচনা এখন তুঙ্গে। এ আলোচনার মাঝেই জানা যায় তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি ও সেক্রেটারির নাম। নগরের ‘সাইনিং পাওয়ার হোল্ডার’ একজন নেতার মুখ থেকেই এমন তথ্য প্রকাশিত হয় বলে নিশ্চিত করেছে দায়িত্বশীল একটি সূত্র। সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে যারা আসছেন তাদের নাম শুনেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে তুরাগজুড়ে।

জানা গেছে, প্রকাশিতব্য তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আছেন নুরুল ইসলাম মোল্লা সুরুজ। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই থানার সাবেক সভাপতি প্রয়াত আবুল হাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মুহিবুল হাসান। তিনি বর্তমানে নগর কমিটির সদস্য পদে আছেন। এটি জানাজানি হওয়ার পর প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন থানা আওয়ামী লীগের নবীন-প্রবীণ নেতারা। তাদের দাবি, নগরের একজন শীর্ষ নেতার ইচ্ছে অনুযায়ী সুরুজ ও মুহিবুল নেতৃত্ব পাচ্ছেন। এমনটা হলে উত্তরার ৮০ শতাংশ আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকা তুরাগ আওয়ামী লীগ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু আমাকে আউট করে থানা কমিটি দেওয়া হচ্ছে বলে শুনতে পেরেছি। যাদের দেওয়া হচ্ছে তারা অযোগ্য। থানা কমিটি সামলানোর সক্ষমতা তাদের নেই। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সবাই অবাক হয়েছে। হাসিঠাট্টা তৈরি হয়েছে এলাকায়।’

অন্য নেতারা বলছেন, মুহিবুল হাসান নগরের পদে থাকার পরও কেন তাকে থানায় পদায়ন করতে হবে, এমন উত্তর খুঁজছেন তারা। স্বভাব চরিত্রে অতি নরম প্রকৃতির এ নেতা নেতৃত্বে আসলেও মূলত কমিটি পরিচালনা করবেন আয়ানাবাজিখ্যাত তারই আপন ছোট ভাই নাজমুল হাসান। যিনি জালিয়াতির দায়ে বর্তমানে জেলে আছে। অন্যদিকে সভাপতি পদে যে সুরুজ মোল্লাকে দেওয়া হচ্ছে, তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আর্থিক সংঘতি একেবারেই নেই। সভাপতি ও সম্পাদকের বাড়ি একই পাড়ায় হওয়ায় সেও আয়নাবাজখ্যাত নাজমুলের কথার বাইরে একচুল যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন না। তাই ভিন্ন নামে সভাপতি ও সম্পাদক হলেও প্রকাশিতব্য এ কমিটির চাবি থাকবে নাজমুলের হাতে।

ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক বিবেচনা করা হলে তুরাগ তুরাগ এলাকাটি ইংরেজি এল আকৃতির মতো, স্বাধীনতার পর থেকেই এখানে কমিটি দেওয়া তুরাগ উত্তর ও দক্ষিণ বিবেচনা করে। অথচ নগরের প্রভাবশালী এক নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক এ কর্মকর্তার প্রভাবে কমিটি দেওয়া হয় একই মহল্লার দুই নেতাকে। স্বাভাবিকভাবে এমন নজির কোথাও দেখা যায় না। এ বিষয়ে নগর নেতাদের বক্তব্য জানতে চাইলে কেহ কথা বলতে রাজি হননি। উল্লেখ্য এর আগে গণমাধ্যমে নগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক নেতার স্বজনপ্রীতির বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
তুরাগ থানা আ.লীগ
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close