চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

  ০৭ মার্চ, ২০২২

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার এক অমর মহাকাব্য

ফাইল ছবি

আজ ঐতিহাস ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক মহাকাব্যিক বাঁক নেওয়া এই দিনে জাতির পিতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ১৯৭১ এর এই দিন তোমার তর্জনি উঠেছিল অবনি পরে। পাকিস্তানিরা কেঁপে ছিল ভয়ে আর ডরে। ৭ মার্চ মুক্তিকামী বাঙালির রক্তের শিহরণ। বাঙালি জাতি করেছিল মুক্তির পণ। ৭ মার্চ ছিল এক মহাকাব্য। পাক হানাদাররা বুঝেছিল তাদের কী হবে ভবিতব্য। ৭ মার্চ প্রেরণা জোগায় আপসহীন সংগ্রামের। বাঙালি কি আর কখনো পাবে দেখা এমন বীরের। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন সত্তা। তিনি ছিলেন, বাঙালি জাতির ত্রাণকর্তা। তোমার তর্জনি উঁচানো দরাজ কণ্ঠের সেই ভাষণ। আজো আন্দোলিত করে মন। তোমার কণ্ঠে ছিল অকৃত্রিম এক জাদুর ছোঁয়া । বাঙালি জাতি তাতেই খুঁজে পেয়েছিল মুক্তির খেয়া। তুমি ছিলে এক মহান কবি। তোমার ভাষণে ছিল ছন্দ আর চেতনার ছবি। ৭ মার্চের সেই দিন তুমি হয়েছিলে হেমিলনের বাঁশিওয়ালা। যে বাঁশির সুরে শত্রুর বুকে ধরেছিল জ্বালা। ৭ মার্চ সেই দিন বাঙালি তোমার ভাষণ শুনেছিল মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে। বাঙালি জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতা জয়ে।

আজ আবারও ফিরে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে মুক্তিযুদ্ধের জন্য বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দিনটি মার্চ ছিল মূলত বাঙালি জাতির মুক্তির নির্দেশনা। একটি মুক্তির দলিল। মুক্তিকামী বাঙালির রক্তের শিহরণ, যা আজো বাঙালি জাতিকে আন্দোলিত করে। প্রেরণা জোগায় আপসহীন সংগ্রামের।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন সত্তা। ৭ মার্চের ভাষণ শুধু কেবল একটি ভাষণ ছিল না। এটি ছিল বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। বিনম্র শ্রদ্ধা হে জাতির পিতা। তোমায় হাজার সালাম। তুমি বেঁচে থাকো প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে।

লেখক: আলতাফ হোসেন, জেনারেল ম্যানেজার ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
মহাকাব্য,৭ মার্চ,মুক্তিকামী বাঙালি,বঙ্গবন্ধু,হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close