নরসিংদী প্রতিনিধি

  ০২ ডিসেম্বর, ২০২২

নরসিংদীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যা

প্রতীকী ছবি

নরসিংদীর মাধবদীতে মাইশা আক্তার (১০) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) রাতে মাধাবদীর কুঁড়েরপার জামিয়া ক্বাওমিয়া মাদরাসার গোসলখানা থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মাইশা ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ও ভগিরথপুর গ্রামের নেছার উদ্দিন মেয়ে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নরসিংদী সদর হাসপাতালে মরদেহ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

মেয়েটির বাবা নেছার উদ্দিন বলেন, আমার মেয়েকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার পর গলায় রশি পেঁচিয়ে মাদরাসার গোসলখানায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাইশা মেধাবী ছাত্রী, সে কোনোভাবেই আতহত্যা করতে পারে না। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই। তবে কারা কী কারণে তার মেয়েকে হত্যা করেছে তা তিনি বলতে পারেননি।

এলাকাবাসী ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদরাসার একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, গত মাসেও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আফরিন বেগমকে একইভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মাদরাসার গোসলখানায় গলায় রশি দিয়ে পেঁচিয়ে আফরিনকে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার পর আত্মহত্যার নাম দেওয়া হয়। একই ঘটনা ঘটল মেধাবী ছাত্রী মাইশার আক্তারের সঙ্গেও। তাকেও ধর্ষণের পর গলায় রশি পেঁচিয়ে মিথ্যা আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে মাদরাসাটিতে একে একে দুটি মেয়েকে অকালেই জীবন দিতে হলো। এর কোনো বিচারই হয়নি অদৃশ্য শক্তির কারণে।

মাদরাসার সহকারী শিক্ষাক আহসান উল্লাহ বলেন, বিয়য় দুটি অনাকাঙ্খিত। আগে আফরিন নামে যে মেয়েটি ছিল সে পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে। মাইশাও পরিবারের সঙ্গে অভিমান করেই এমন কাজ করেছে বলে আমাদের ধারণা।

মাধবদী থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। কারা কী কারণে মেয়েটিকে হত্যা করল তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
নরসিংদী,ধর্ষণ,শিশু হত্যা
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close